এখন থেকে পরীক্ষা ও ক্লাশে পাঠদান চলবে সমান তালে
আধুনিক ও মানসম্পন্ন ক্যাম্পাস গঠনে আরও একধাপ এগিয়ে গেল জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল আলাদা পরীক্ষা হল কক্ষ। অবশেষে সেই দাবি পূরণ হলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের দুটি সুবিশাল পরীক্ষা হলসহ ছয়টি হল মঙ্গলবার উদ্বোধন করা হয়েছে। এতদিন ছাত্রছাত্রীদের ক্লাশরুমে পরীক্ষা গ্রহণ করা হতো। এতে পরীক্ষা গ্রহণকালে অন্যদের ক্লাশ গ্রহণ বিঘ্নিত হতো। সেই ক্ষতি আর হবে না। এই হল উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে এখন থেকে পরীক্ষা হলে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে এবং ক্লাশ রুমে পাঠদান কার্যক্রমও চলবে সমান তালে । এতে ২টি বড় পরীক্ষা হলে ১৫০ জন করে ৩০০ জন এবং মাঝাড়ি ৪ হলে ৫০ জন করে ২০০ জনসহ সর্বমোট ৫০০ জন শিক্ষার্থী একসাথে পরীক্ষা দিতে পারবে বলে তথ্য নিশ্চিত করেছেন জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ^বিদ্যালয় উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর।

১১ অক্টোবর মঙ্গলবার দুপুরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে পরীক্ষার হল উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর। ফিতা কেটে পরীক্ষা হলের উদ্বোধন করা হলে সেখানে হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগের একটি বর্ষের পরীক্ষা শুরু হয়।
পরীক্ষার হলের উদ্বোধন করে উপাচার্য প্রফেসর ড. সৌমিত্র শেখর বলেন, পরীক্ষা হলের জন্য শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। এ প্রেক্ষিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে নেওয়া সিদ্ধান্ত অনুসারে এই দুই ভবনে দুটো বড় পরীক্ষাহল সহ ছয়টি পরীক্ষা হল তৈরি করা হয়েছে। এজন্য সকলেই আমাদের সহযোগিতা করেছেন। বিশেষ করে প্রকৌশল দপ্তরের যে প্ররিশ্রম, একাগ্রতা সেটি বিশেষভাবে স্মরণীয়। আমি সকলের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করি।
বড় হল পরিচালনার জন্য দ্রুত অভ্যস্থ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি আরও বলেন, আমাদের বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে। যেখানে আলো কম লাগবে সেখানে কম দেব, যেখানে বেশি লাগবে সেখানে বেশি দেব। যারা পরীক্ষা আয়োজনের দায়িত্বে থাকবেন বিশেষ করে শিক্ষকরা; তাঁরা নিজ দায়িত্বে পরীক্ষা হলগুলোর বাতি ও পাখার বিদ্যুতের সুইচগুলো বন্ধ করবেন, যেমনটা আপনারা নিজেদের বাসায় করেন। নিজের কাজ করার মধ্যদিয়ে আমরা ছাত্রছাত্রীদেরও শেখাতে পারবো।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. নজরুল ইসলাম, রেজিস্ট্রার কৃষিবিদ ড. মো. হুমায়ুন কবীর, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) আবদুল হালিম, প্রক্টর ড. উজ্জ্বল কুমার প্রধানসহ অন্যরা।




