শেরপুরের শ্রীবরদীতে ব্রিজের নিচে ড্রাম থেকে উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত নারীর পরিচয় শনাক্ত করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই), শেরপুর ইউনিট। ওই নারী গাজীপুরের টঙ্গী থানার এরশাদনগর এলাকার বাসিন্দা শাকিল মিয়ার মেয়ে ঝিনুক আক্তার (২৫)। ঝিনুক স্বামী পরিত্যক্তা ছিলো। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পিবিআই শেরপুর ও জামালপুরের পুলিশ সুপার পঙ্কজ দত্ত।
এর আগে ২২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে শ্রীবরদী উপজেলার কুড়িকাহনীয়া বাজারের কুটেমনি ব্রিজের নিচে খালের পানিতে পড়ে থাকা একটি প্লাস্টিকের ড্রামের ভেতর থেকে ওই নারীর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

স্থানীয়রা জানান, সকালে ব্রিজের নিচে খালের পানিতে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। পরে তারা স্থানীয় গ্রাম পুলিশকে খবর দেন। গ্রাম পুলিশ ড্রামের ভেতরে নারীর লাশ দেখতে পেয়ে শ্রীবরদী থানা পুলিশকে বিষয়টি জানায়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ড্রামটি উদ্ধার করে এবং ভেতর থেকে লাশ বের করে। পরে নিহত নারীর পরিচয় শনাক্তে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। পরে পিবিআই শেরপুর তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে পরিচয় শনাক্ত করে।
এর আগে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মো. মিজানুর রহমান জানান, মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তবে ঝিনুক আক্তারকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছে, কিংবা তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ কী, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।
পিবিআই এর পুলিশ সুপার পঙ্কজ দত্ত জানান, এ ঘটনার কারণ জানতে পিবিআই কাজ করছে। এ ঘটনার সাথে যে বা যারাই জড়িত থাকুক না কেন, তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।




