ads

সোমবার , ৩০ আগস্ট ২০২১ | ২৭ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের লিফট বিকল, সিঁড়ি বেয়ে অসুস্থ হয়ে প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
আগস্ট ৩০, ২০২১ ৮:৫৩ অপরাহ্ণ

এবার শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের লিফট বিকল থাকায় পাঁচ তলার গাইনি ওয়ার্ড থেকে করোনা টেস্টের জন্য নিচতলায় নেমে অসুস্থ হয়ে এক প্রসূতির মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের অভিযোগ, সাত মাসের অন্তসত্বা ওই নারীকে গাইনী ওয়ার্ডে ভর্তির পর বিভিন্ন টেস্টের জন্য কয়েকবার সিঁড়ি বেয়ে উঠানামা করতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। মৃত রোজিনা পারভীন (৩০) শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার নন্নী এলাকার নিশ্চিন্তপুর গ্রামের সালামের স্ত্রী। তাদের তিশা নামে পাঁচ বছর বয়সী একটি কন্যা সন্তান  রয়েছে। এ ঘটনায় সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছেন জনপ্রতিনিধিসহ স্থানীয়রা। লিফটের সমস্যা স্থায়ীভাবে সমাধানের আশ্বাস গণপূর্ত বিভাগের।

Shamol Bangla Ads

মৃতের স্বজনরা জানায়, গত শনিবার সকালে রক্তক্ষরণজনিত সমস্যা নিয়ে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের গাইনি ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয় সাত মাসের অন্তঃসত্বা রোজিনাকে। হাসপাতালের দুটো লিফটই নষ্ট থাকায় ভর্তির পর তাকে হাঁটিয়ে সিঁড়ি দিয়ে পাঁচতলা গাইনি ওয়ার্ডে নেয়া হয়। কিছুক্ষণ পর কর্তব্যরত নার্স রোজিনার আলট্রাসনোগ্রাম ও রক্ত পরীক্ষার কথা বলেন। এজন্য আবারো তাকে পাঁচতলা থেকে সিঁড়ি বেয়ে নিচে নামিয়ে পার্শ্ববর্তী ক্লিনিকে নিতে হয়। টেস্ট করা শেষে পুনরায় পাঁচতলায় সিঁড়ি বেয়ে উঠার পর বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে রোজিনা।

রোজিনা পারভীনের স্বামী আব্দুস সালাম বলেন, শনিবার সিঁড়ি বেয়ে পাঁচতলায় উঠার পর আমার স্ত্রী বেশি অসুস্থ হয়ে পড়ে। রোববার সকালে নার্স আমাকে দুটো ইনজেকশন কিনে আনতে বলে। আমি নিচে থেকে ইনজেকশন কিনে নার্সকে দিলে তারা আমার স্ত্রীর করোনা রিপোর্ট ছাড়া কোন সেবা দেয়া হবে না বলে জানায়। আমার স্ত্রীকে নিচতলায় করোনা পরীক্ষা করতে যেতে বলার সাথে সাথেই আমার স্ত্রী বলে উঠে, ‘পাঁচ তলা সিঁড়ি ভেঙে নিচে গেলে আমি আর বাঁচতাম না।’ পরে আমি নিচে গিয়ে আমার স্ত্রীর করোনা পরীক্ষা উপরে গিয়ে করানোর জন্য বললেও তারা যায় নাই। আমি সকাল সাড়ে এগারোটার দিকে করোনা পরীক্ষার জন্য স্ত্রীকে নিচে নামাই। করোনার স্যাম্পল দেয়ার পরেই আমার স্ত্রীর অবস্থার অবনতি হয়। নিচ তলায় অক্সিজেন দেয়ার চেষ্টা করেও অক্সিজেন দিতে পারি নাই। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার স্ত্রী মারা যায়।
এ ঘটনায় কারো কোন গাফিলতি ও অব্যবস্থাপনা থাকলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নন্নী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মাহবুবুর রহমান রিটন।
এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ডা. একেএম আনওয়ারুর রউফ বলেন, লিফট নষ্ট থাকায় হার্টের রোগী ও শ্বাস কষ্টের রোগীদের উঠানামা করতে কষ্ট হয়েছে। লিফট নষ্ট থাকায় সাধারণ রোগী, নার্স ও চিকিৎসকদেরও ভোগান্তি হয়েছে। একটি লিফট আপাতত সচল করা গেছে। প্রসূতির মৃত্যুর বিষয়ে তিনি বলেন, ওই নারীর শ্বাসকষ্টে মৃত্যু হয়েছে। করোনা পজিটিভ এসেছে তার নমুনা।
লিফট মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান ড্যাফোডিলের প্রতিনিধি কামরুজ্জামান বলেন, জেলা হাসপাতালের একটি লিফট সচল করা হয়েছে। আরেকটি লিফটের কিছু অংশ মেরামত করতে সময় লাগবে। তিনি বলেন, লিফট পরিচালনার জন্য আলাদা লোকবল নিয়োগ না করা হলে আবারো লিফট নষ্ট হতে পারে।
এ বিষয়ে গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী মুহাম্মদ জিল্লুর রহমান সিদ্দিকী বলেন, আমরা লোকবল নিয়োগের মাধ্যমে স্থায়ীভাবে এই সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছি। চলতি অর্থবছরেই এ সমস্যা সমাধান হবে আশা করছি।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads