ads

শনিবার , ২৮ মে ২০১৬ | ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীতে বালু লুটপাটের মহোৎসব : ক্ষত-বিক্ষত গারো পাহাড়

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
মে ২৮, ২০১৬ ২:০৮ অপরাহ্ণ

Nodiঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি : শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ে অবৈধভাবে বালু লুটপাটের মহোৎসব চলছে। স্থানীয় বালু ব্যবসায়ীরা অবৈধভাবে বালু লুটপাট করে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করে আসছে। নিয়ম বহিঃর্ভূত ভাবে বালু উত্তোলন করায় একদিকে নদীর তীরবর্তী এলাকার গারো পাহাড় ক্ষতবিক্ষত হয়ে পড়েছে। নদীর দু’পাড় ও রাস্তা-ঘাট ভেঙ্গে পরিবেশের ভারসাম্য মারাত্মকভাবে হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। সরকার বঞ্চিত হচ্ছে বিপুল পরিমাণের রাজস্ব আয় থেকে। সীমান্তবর্তী এ উপজেলার সোমেশ্বরী, কালঘোষা,মহারশী ও মালিঝি নদীসহ কয়েকটি পাহাড়ি ঝর্ণা রয়েছে। স্থানীয় অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন থেকে এসব নদী ও ঝর্ণায় ও তীরবর্তী বন-বিভাগের পাহাড় কেটে ক্ষতবিক্ষত করে অবাধে বালু লুটপাটের মহোৎসব চালিয়ে আসছে। জানা গেছে, অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা ক্ষমতাসীন দলের দু’একজন নেতার নাম ভাঙ্গিয়ে বালু লুটপাট চালাচ্ছে। ফলে স্থানীয় প্রশাসন অনেক সময় নিরব ভূমিকা পালন করে থাকে। বর্তমানে গারো পাহাড়ের নদী ও ঝর্ণা থেকে ড্রেজার মেশিন দ্বারা প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা মূল্যের বালু অবৈধ ভাবে লুটপাট করা হচ্ছে। সরেজমিনে অনুসন্ধানে গিয়ে দেখা গেছে, কালঘোষা নদীর গান্ধীগাঁও,ফুলহাড়ি,বাকাকুড়া,সোমেশ্বরী নদীর দুপুরীয়া, আয়নাপুর, বালিজুড়ি, তাওয়াকুচা, মহারশী নদীর গোমড়া, পাগলারমুখ, মালিঝি নদীর তিনানী ও গারো পাহাড়ের শীলঝোড়া ও মঙ্গল ঝোড়াসহ বিভিন্ন স্থানে প্রায় অর্ধশত ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অবাধে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এসব বালু স্থানীয় নির্মান প্রতিষ্ঠানের চাহিদা মিটিয়ে ট্রাক ও ট্রলিযোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। অবৈধভাবে বালু লুটপাট করে অনেকেই বাড়ি গাড়িসহ আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে। অভিযোগ রয়েছে, স্থানীয় প্রশাসনের কোন কোন সংস্থার নাম ভাঙ্গিয়ে এক শ্রেণীর টাউট বাটপার অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে আদায় করে আসছে মাসোয়ারা। এসব অবৈধ বালু উত্তোলনের বিষয়ে বিভিন্ন সময় পত্র-পত্রিকায় লেখালেখিও করা হয়েছে। কিন্তু অবৈধভাবে বালু লুটপাট বন্ধ হয়নি। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর অবৈধ বালু লুটপাট ২/১দিন বন্ধ থাকে। পরে আবার তা পুরোদমে শুরু হয়। পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশের পর উপজেলা প্রশাসন ও বন-বিভাগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় অবৈধ বালু লুটপাট বন্ধের ব্যাপারে অভিযানও পরিচালনা করেন। ইউএনও মোহাম্মদ সেলিম রেজা ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে কয়েকজন অবৈধ বালু লুটপাটকারীকে জরিমানাও করেন। কিন্তু অজ্ঞাত কারনে বালু লুটপাট বন্ধ হয় না। বর্তমানেও অবৈধ বালু ব্যবসায়ীরা অবাধে বালু লুটপাট করে আসছে। এতে নদীর উপর বিভিন্ন স্থানের ব্রীজ, কালভাট, রাস্তা-ঘাট বিধবস্থ হওয়ার উপক্রম হয়েছে। নদীর তীরবর্তী গারো পাহাড় ক্ষত-বিক্ষত হয়ে পড়েছে। হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে গারো পাহাড়ের সৌন্দর্য ও পরিবেশের ভারসাম্য। ইউএনও মোহাম্মদ সেলিম রেজার সাথে কথা হলে, তিনি অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবেন বলে জানান।

Need Ads