শেরপুরের নকলায় টালকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটি থেকে ২০ জন পদত্যাগ করেছেন। ৩ অক্টোবর মঙ্গলবার সকালে টালকি ইউনিয়নের জামতলী বাজারে সংবাদ সম্মেলনে ওই তথ্য জানান নবগঠিত কমিটির পদত্যাগী সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো. ছায়েদুল হক সাইদ। ওইসময় নবগঠিত কমিটির পদত্যাগী সহসভাপতি ফছির উদ্দিনসহ ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

পদত্যাগীরা হলেন নবগঠিত কমিটির সহসভাপতি ফছির উদ্দিন ও নিয়ামত আলী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক খান, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক মুন্সি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মাহবুব আলম আকন্দ, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা ইদ্রিস আলী, যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক শাহ আলম, সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহিদুল ইসলাম শাহি, সহ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আজগর আলী, সদস্য হযরত আলী, ছায়েদুল হক সাইদ, বেলায়েত হোসেন আকন্দ, বজলুর রহমান, মাজহারুল ইসলাম চেরু, সাজু মিয়া, ছায়েদুর রহমান, জুলহাস উদ্দিন, বকুল ফকির, মাঈন উদ্দিন এবং রফিকুল ইসলাম বেনজু।
সংবাদ সম্মেলনে ছায়েদুল হক জানান, ৫১ সদস্য বিশিষ্ট টালকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি নাজিমুদ্দিন একসময় গ্রাম সরকার প্রধান ছিলেন। সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমানের পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের মধ্যে কেউ আওয়ামী লীগ রাজনীতি করেন না। মিজানুর রহমান টালকি ইউনিয়নের নয়াবাড়ি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। ২০০২ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে মিজানুর রহমান তাঁর বিদ্যালয় মাঠে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজাতে দেননি। বিষয়টি আমাদেরকে আহত করেছে। সুতরাং এমন নেতৃত্বের কাছে আওয়ামী লীগ ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নিরাপদ নন। তাছাড়া কমিটিতে অনেক বহিরাগতরা স্থান পেলেও প্রকৃত ও ত্যাগী নেতাকর্মীদের অবমূল্যায়ন করা হয়েছে। বিষয়টি দলের উর্ধতন কতৃপক্ষের নজরে আনলেও তাঁরা বিষয়টি আমলে নেননি। তাই আমরা নবগঠিত কমিটি থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

তবে টালকি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নবগঠিত কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিমুদ্দিন বলেন, আমি গ্রাম সরকারের প্রধান থাকলেও আওয়ামী লীগ রাজনীতি করেছি। সভাপতি পদে ৬ জন প্রার্থীর মধ্যে আমাকে যোগ্য বিবেচনায় উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি নির্বাচিত করেছে।
এ ব্যাপারে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ বলেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা নাজিমুদ্দিন ইতিপূর্বে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। তিনি ১৯৭২ সন থেকে আওয়ামী লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত। মিজানুর রহমান কলেজ শাখা ছাত্রলীগের নেতা ছিলেন। তিনি উপজেলা ও জেলা যুবলীগের সদস্য ছিলেন।




