শেরপুরে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে টুপি-আতরের দোকানে ভিড় বেড়েছে। শেষ মুহূর্তে পছন্দের টুপি ও আতর কিনতে ভিড় জমাচ্ছেন ক্রেতারা। ঈদ উপলক্ষে শহরের তেরাবাজারসহ বিভিন্ন জায়গায় বসেছে অস্থায়ী দোকানও।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, ঈদে নতুন পাঞ্জাবির রঙের সঙ্গে মিল রেখে কেউ খুঁজছেন জরির কাজ করা টুপি। কারও পছন্দ এমব্রয়ডারি করা টুপি। কেউবা চান বাহারি রঙের সুতা দিয়ে হাতের কাজ করা টুপি। আবার ঘ্রাণ শুঁকে অনেকেই খুঁজে নিচ্ছেন পছন্দের আতর।
তেরাবাজার ছাড়াও শহরের নিউমার্কেট, থানার মোড়, নয়ানী বাজার, রঘুনাথ বাজার, মুন্সি বাজার, কলেজ মোড়সহ বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে ভ্রাম্যমাণ আতর, টুপির দোকান বসেছে। সেগুলোতেও ভিড় দেখা গেছে। বিক্রেতারা ঈদের আগমুহূর্তে ক্রেতাদের হাতে পছন্দের টুপি, আতর, জায়নামাজ কিংবা তসবিহ তুলে দিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
তেরাবাজারে টুপি নিতে আসা নাজমুল ইসলাম বলেন, ঈদের দিন সকালে নতুন পাঞ্জাবি, টুপি পরে সুরমা ও আতর লাগিয়ে তসবিহ আর জায়নামাজ নিয়ে ঈদগাহে যাবেন। তাই দোকানে দোকানে ঘুরে পছন্দ করছেন। বাবা-মায়ের জন্য জায়নামাজ কিনতে এসেছেন ইশতিয়াক আহম্মেদ। তিনি বলেন, সাড়ে চারশ টাকায় জায়নামাজ কিনেছি। এখন আতর খুঁজছি। শ্রীবরদীর খড়িয়া কাজিরচর এলাকার শামসুল হক বলেন, ঈদের নামাজ পড়তে পরিবারের সবার জন্য আতর ও টুপি কিনেছি। তবে অন্যবারের চেয়ে এবার আতরের দাম বেশি।

তেরাবাজারের হামিদুর ক্যাপ হাউসের দোকানি এহসানুর রহমান বলেন, তার দোকানে ১৫ টাকা থেকে তিনশ টুপি আছে। বিভিন্ন দাম ও মানের দেশি বিদেশি আতর রয়েছে। জায়নামাজ, টুপির সঙ্গে আতর ও তসবিহও ভালো বিক্রি হয়েছে।




