ads

শনিবার , ১২ এপ্রিল ২০১৪ | ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

আত্রাইয়ের মিরাপুর বধ্যভূমি আজও অবহেলিত : নির্মাণ করা হয়নি কোন স্মৃতিসৌধ

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক
এপ্রিল ১২, ২০১৪ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ণ

Naogaon-mapতাপস কুমার, আত্রাই (নওগাঁ) : নওগাঁর আত্রাইয়ের মিরাপুর গ্রামে একাত্তরের বধ্যভূমিটি আজও অবহেলিত। ৪৩ বছরেও এই বধ্যভ‚মির শহীদ পরিবারের কেউ খোঁজ নেয়নি।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, ‘৭১ সালের ১১ জুলাই ভোর রাত’ তখনও ফজরের আযান হয়নি। ওই সময় পাক-হানাদার বাহিনী দু’টি বড় বজরা নৌকাযোগে এসে উপজেলার মিরাপুর গ্রাম এবং পার্শ্ববর্তী নওগাঁর রাণীনগর উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রাম ঘেরাও করে মুক্তিকামী মানুষদের আটক করে। পাকবাহিনী নামাজরত মুসল্লিদেরকেও আটক করে। আটকৃতদেরকে আত্রাই-নওগাঁ সড়কের পার্শ্বে মিরাপুর গ্রামের একটি বাঁশঝাড়ের মধ্যে একত্রিত করা হয়। মুক্তিযোদ্ধাদেরকে সাহায্য-সহযোগিতা করার অভিযোগ প্রায় ৩০ জনকে ওই বাঁশঝাড়ের মধ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়। এছাড়াও বর্বর পাকবাহিনী কৃষ্ণপুর গ্রামের ৪/৫ জন নরীকে ধর্ষণ করে। পাকবাহিনীকে পথ দেখিয়ে এনেছিল উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের কুখ্যাত রাজাকার জানা এবং একই উপজেলার মির্জাপুর গ্রামের আরেক কুখ্যাত রাজাকার শুকুর।
কৃষ্ণপুর গ্রাম থেকে আটককৃত ১৭ বছরের স্কুল ছাত্র ওয়াহিদউদ্দিন মিলুকে সেদিন গুলি না করে ছেড়ে দেয় পাকবাহিনী। মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে যাওয়া ওয়াহিদ বলেন, আমার চোখের সামনে প্রায় ৩০ জনকে গুলি করে হত্যা করা হয়। সেদিন যাদেরকেক হত্যা করা হয়েছিল তাদের মধ্যে ২৪ জন শহীদের নাম জানা গেছে। ওইসব পরিবারের দাবি, এখানে শহীদের স্মরণে স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করা হোক।

Need Ads
error: কপি হবে না!