বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস বলেছেন, বিএনপি যখনই কর্মসুচী ঘোষণা দেয়, তখনই আওয়ামী লীগ শান্তি সমাবেশ করে। পৃথিবীতে কিংবা বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের মতো অশান্তি সৃষ্টি করার মতো আর কোনো দল আছে কী ? এই দলটি যখনই ক্ষমতায় গেছে, যারা নেতৃত্বে গেছে, তখনই দেশে অশান্তি সৃষ্টি হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়াসহ কারাবন্দী নেতা-কর্মীদের মুক্তি, নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতির প্রতিবাদসহ ১০ দফা দাবিতে ময়মনসিংহ মহানগর বিএনপির পদযাত্রার পূর্বে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

মির্জা আব্বাস বলেন, দেশের বাইরে বিএনপির কোনো প্রভু নাই। আমাদের বন্ধু আছে। দেশের বাইরে বন্ধু না থাকলে প্রয়োজনও নেই। দেশের সাধারণ মানুষ বিএনপির বন্ধু। তারা বিএনপিকে পছন্দ করে বলেই তারা মিছিলে যায়। আন্দোলন করে। তারা গুলি খায়। শাহাদতবরণ করে।
মির্জা আব্বাস আরো বলেন, দেশে গণতন্ত্র মুক্ত করতে হবে। মানুষের কথা বলার অধিকার দিতে হবে। ভোটের অধিকার দিতে হবে। নিরপেক্ষ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে আমরা নির্বাচন চাই। বিএনপি ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নয়, দেশের মানুষের মুক্তির জন্য আন্দোলন করছে। দেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটানোর জন্য মানুষের শান্তির জন্য বিএনপি আন্দোলন করছে।

মহানগর বিএনপির আহবায়ক অধ্যাপক এ কে এম শফিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামন্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমান, বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ওয়ারেস আলী মামুন ও শরীফুল আলম, ময়মনসিংহ দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ডা. মাহবুবুর রহমান লিটন, যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু, মহানগর যুগ্ম-আহ্বায়ক আবু ওয়াহাব আকন্দ ও অধ্যাপক শেখ আমজাদ আলী, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এ কে এনায়েতউল্লাহ কালাম, যুগ্ম আহ্বায়ক মোতাহার হোসেন তালুকদারসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
শনিবার দুপুরে নগরীর টাউন হল মোড়ে সমাবেশ শেষে পদযাত্রা বের করে মহানগর বিএনপি। নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে নতুন বাজার দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে পদযাত্রা শেষ হয়। এরআগে নগরীর বাউন্ডারী রোড, র্যালীরমোড়, কাঁচিঝুলি, বিপিনপার্ক, পাটগোদাম, ধোপাখোলা মোড় ও নতুনবাজার দলীয় কার্যালয় থেকে পৃথক মিছিল সহকারে হাজারো নেতাকর্মী পদযাত্রা কর্মসূচীতে যোগ দেয়। বিএনপির কর্মসূচিকে ঘিরে পুলিশ নগরীতে নিরাপত্তা জোরদার করে।




