ads

বুধবার , ২৫ জানুয়ারি ২০২৩ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ২ পলাতক আসামি গ্রেফতার

জুবাইদুল ইসলাম - ফটো কার্ড
জানুয়ারি ২৫, ২০২৩ ৪:২৬ অপরাহ্ণ

শেরপুরে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত ২ পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১৪ (জামালপুর-শেরপুর) এর সদস্যরা। ২৫ জানুয়ারি বুধবার দুপুরে শেরপুর প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওই তথ্য জানান র‌্যাবের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামান।

Shamol Bangla Ads

গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছেন ঝিনাইগাতী উপজেলার বাকাকুড়া গ্রামের মৃত মজিবর রহমানের ছেলে মো. কালু মিয়া (৪০) ও শেরপুর সদর উপজেলার যোগিনীমুরা ডাকাতপাড়া এলাকার মো. শাজাহান আলীর ছেলে মো. সাগর (২৬)। একইদিন বিকেলে থানা পুলিশ সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতারকৃতদের আদালতে সোপর্দ করলে আদালত তাদের জেলা কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে গাজীপুর ও রাজেন্দ্রপুর থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

র‌্যাব-১৪’র কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামান জানান, ২০১৬ সালের ১৯ জুলাই রাতে নিখোঁজ হয় শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার সীমান্তবর্তী বাকাকুড়া গ্রামের পঞ্চম শ্রেণিপড়ুয়া স্কুলছাত্রী (১৫)। এর দুদিন পর বাকাকুড়া এতিমখানার পশ্চিম পাশে জিয়ারখালে পানিতে ভাসমান অবস্থায় ওই স্কুলছাত্রীর লাশ পাওয়া যায়। পরে ওই ঘটনায় স্থানীয় মৃত ফজল হকের ছেলে আমান উল্লাহ (২৩) ও কালু মিয়াকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন ভিকটিমের মা। তদন্তে ওই স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার প্রাথমিক সত্যতা পাওয়ায় অভিযোগপত্র দাখিল করে থানা পুলিশ। ওই মামলায় বিচারে ২০১৮ সালের ১৮ অক্টোবর কালু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করেন নারী-শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।

Shamol Bangla Ads

অন্যদিকে ২০১৬ সালের ৭ মার্চ রাতে শহরের মোবারকপুর মহল্লার এক ইটের ভাটায় গলাকাটা অবস্থায় লাশ উদ্ধার হয় পাশর্^বর্তী দমদমা কালীগঞ্জ মহল্লার ইজিবাইক চালক রেজ্জাকের (৩৫)। ওই ঘটনায় রেজ্জাকের স্ত্রী বাদী হয়ে সাগর ও স্থানীয় মিল্টনসহ ৩ জনকে আসামি করে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ তদন্ত শেষে ছিনতাই ও হত্যার অভিযোগে সকলের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। পরে বিচারে ২০২২ সালের ৬ এপ্রিল সাগরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

মামলার পর থেকেই অন্য নাম ধারণ করে দীর্ঘ প্রায় ৭ বছর পলাতক ছিল কালু মিয়া ও সাগর মিয়া। পরবর্তীতে বিভিন্ন তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করে পৃথক এলাকায় আসামিদের অবস্থান নিশ্চিত করে র‌্যাবের জামালপুর ক্যাম্পের কোম্পানী কমান্ডার স্কোয়াড্রন লিডার আশিক উজ্জামান এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার এম. এম. সবুজ রানার নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে পৃথক এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

 

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads