এস কে রঞ্জন কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : নৌ-পরিবহন মন্ত্রী শাহজাহান খান বলেছেন, ‘সত্যকে মিথ্যে দিয়ে আড়াল করা যায়না। খালেদা জিয়া সন্ত্রাসীদের হাতে পেট্রল বোমা দিয়ে যে সন্ত্রাসের রাজনীতি শুরু করেছেন, সালাউদ্দিন আহমেদ সেই রাজনীতির নাটকের একটি অংশ। শিমুল বিশ্বাস ও হাসিনা আহমেদের কথোপকথন থেকেই বেড়িয়ে এসেছে সালাহউদ্দিন আহমেদের গুম রহস্য। ভারতে অবৈধ অনুপ্রবেশের দায়ের মামলার আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হলে দেশে ফিরিয়ে এনে সালাউদ্দিনকে আইনের মুখোমুখি দাঁড় করানো হবে। তিনি ১৬ মে শনিবার সকালে পটুয়াখালীর কলাপাড়া পায়রা সমুদ্র বন্দর পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের ওই কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, পায়রা সমুদ্র বন্দর হল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বপ্নের বন্দর। বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকার ভিত্তিক ৮টি প্রকল্পের মধ্যে পায়রা সমুদ্র বন্দর উল্লেখযোগ্য। ২০১৮ সালের মধ্যে ৪ লেন রাস্তা এবং গভীর সমুদ্রে বড় বড় বয়া দিয়ে লাইটারেজ জাহাজের মাধ্যমে পন্য উঠা-নামানোর কাজ শুরু করা হবে। ২০২৩ সালের মধ্যে এর কর্যক্রম পুরোপুরি চালু করার মহা পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। প্রকল্প এলাকায় ৬ হাজার একর জমি অধিগ্রহন করে বন্দরের র্টামিনাল ও ইপিজেড নির্মান করে গার্মেন্টস সহ বিভিন্ন কল-কারখানা নির্মান করা হবে।
নৌ-পরিবহন সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধি দলের পায়রা সমুদ্র বন্দর পরিদর্শনকালে মন্ত্রীর সফর সঙ্গী হিসাবে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী ও নৌপরিবহন সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি বীরউত্তম মেজর (অব:) রফিকুল ইসলাম, সাবেক পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী মাহাবুবুর রহমান এমপি, তালুকদার আ.খালেক এমপি, আনোয়ারুল আজিন আনার এমপি, মমতাজ বেগম এমপি, রনজিৎ দাস এমপি, নাহিদ হাসান সুজন এমপি, রিয়ার এডমিরাল নিজাম উদ্দিন আহমেদ, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান এম মোজ্জাম্মেল হক, পায়রা সমুদ্র বন্দর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কমোডর সাইদুজ্জামান, জেলা প্রশাসক অমিতাভ সরকার।
সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রতিনিধি দল পায়রা সমুদ্র বন্দর এলাকা পরিদর্শনের অংশ হিসাবে এর বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে অবহিত হন। পরে মন্ত্রী প্রতিনিধি দল নিয়ে কোস্টগার্ডের এইচপিবিএন বলেশ্বর ও তেতুলিয়া জাহাজ যোগে বর্হিনোঙ্গর রামনাবাদ চ্যানেল পরিদর্শন করেন। এসময় সরকারী ও আ.লীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।




