ads

রবিবার , ১৮ অক্টোবর ২০২৬ | ১৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

শ্যামলবাংলা ডেস্ক - ফটো কার্ড
অক্টোবর ১৮, ২০২৬ ২:০৫ পূর্বাহ্ণ

আবুধাবিতে ব্রেন্ডন টেলর ৮১ ও ক্রেইগ আরভিন ৯৩ রান করেন। জিম্বাবুয়ের পক্ষে আর কেউ সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। দলের ২৭১ রানের মধ্যে তারাই করেন ১৭৪ রান। কিন্তু দুজনের সম্মিলিত রানও করতে পারেনি বাংলাদেশ, অলআউট হয় ১৭২ রানে। ৯৯ রানের বড় ব্যবধানে হেরে ত্রিদেশীয় সিরিজ শুরু করল তারা। বুধবার দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ খেলবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে। ওয়ানডে অধিনায়ক হিসেবে সিকান্দার রাজা পান প্রথম জয়।

Shamol Bangla Ads

২৭২ রানের লক্ষ্যে নেমে তানজিদ হাসান তামিম চার মেরে ইনিংস শুরু করলেন। পরের ওভারে আরও দুটি। চতুর্থ ও ষষ্ঠ ওভারে জোড়া বাউন্ডারি হাঁকালেন বাংলাদেশের ওপেনার। সপ্তম ওভারে সৌম্য সরকারের বিদায়ে ৪৭ রানের জুটিতে ৩০ রান করে অবদান রাখেন তানজিদ। ১৭ বলে ৯ রান করে ব্লেসিং মুজারাবানির শিকার হন সৌম্য। ক্যাচ তুলে দেন স্লিপে। ৪৭ রানের জুটি ভাঙার পর রানের গতি কিছুটা কমে যায়।

পাওয়ার প্লের শেষ ও দশম ওভারে নিজের প্রথম ছক্কা মারেন তানজিদ। এক বল বিরতি দিয়ে চার। হাফ সেঞ্চুরির খুব কাছে ছিলেন তিনি। কিন্তু নিয়ামহুরির বলে বদলি ফিল্ডার বার্লের ক্যাচ হন। ৪ রানের আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়েন তানজিদ। ৩৮ বলে ৯ চার ও ১ ছয়ে ৪৬ রান করেন তিনি, শেষ পর্যন্ত এটাই ছিল বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত সংগ্রহ।

Shamol Bangla Ads

পাওয়ার প্লেতে বাংলাদেশ ২ উইকেট হারিয়ে করে ৬৬ রান। নাজমুল হোসেন শান্ত নেমে ৯ বল খেলে মাত্র চার রান করে জিম্বাবুয়ের তৃতীয় শিকার হন। ৬৮ রানে নেই তিন উইকেট।

তাওহীদ হৃদয় ও সাইফ হাসান এই ধাক্কা সামলে নিলেও বড় জুটি গড়তে ব্যর্থ হন। ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হৃদয় সিকান্দার রাজার শিকার হন। আম্পায়ার আউট না দিলেও জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক রিভিউ নিয়ে সফল হন। ২১ বলে ১৩ রান করেন হৃদয়। ভাঙে ২৯ রানের জুটি।

একশ রানের আগে চার উইকেট হারানোর পর বাংলাদেশের হাল ধরতে পারেননি কেউ। মোসাদ্দেক হোসেন ও সাইফ ওয়েলিংটন মাসাকাদজার পরপর দুই ওভারে শিকার হন। ১২৩ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের জয় হয়ে দাঁড়ায় সময়ের ব্যাপার। তারপর ব্র্যাড ইভান্সের জোড়া আঘাতে নুরুল হাসান সোহান ও শরিফুল ইসলামের উইকেট পড়ে।

তাসকিন আহমেদ ও রিশাদ হোসেন কয়েকটি বাউন্ডারিতে গ্যালারি মাতান। এর মধ্যে ৩২তম ওভারে নিয়ামহুরিকে চারটি চার মেরে ১৭ রান তোলেন রিশাদ। পরের ওভারে তাকে থামতে হয়। ৩৩ বলে ২৩ রান করে রাজার শততম ওয়ানডে উইকেটে পরিণত হন তিনি। দুজনে মিলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩২ রানের জুটি গড়েন।

পরে মুস্তাফিজুর রহমান একটি ছয় ও তাসকিন একটি চার মেরে কেবল ব্যবধান কমান। ৩৩.৪ ওভারে বাংলাদেশ ১৭২ রানে অলআউট হয়। মুস্তাফিজকে ফিরতি ক্যাচে ফেরান ইভান্স। ৬.৪ ওভারে ৪৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি।

এর আগে টস জিতে ব্যাটিং নিয়ে জিম্বাবুয়ে ২৪ রানে তিন উইকেট হারায়। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন আরভিন ও টেলর। দুজনের ১৫০ রানের চতুর্থ উইকেট জুটিতে জিম্বাবুয়ে চ্যালেঞ্জিং স্কোর করে। ৮ উইকেট হারিয়ে তারা তোলে ২৭১ রান। বাংলাদেশের পক্ষে তাসকিন আহমেদ তিনটি উইকেট নেন। দুটি করে পান শরিফুল ইসলাম ও সাইফ।

Need Ads