শেরপুরে স্মরণকালের সর্বোচ্চ দর্শকের উপস্থিতিতে জেলা প্রশাসক (ডিসি) গোল্ড কাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৬ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ১৭ অক্টোবর শনিবার বিকেলে শেরপুর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ এ ফাইনাল খেলায় ১-০ গোলে শেরপুর পৌরসভা দল সদর উপজেলা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।
খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার্স-আপ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন প্রধান অতিথি বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত।

ওইসময় তিনি বলেন, সমাজ থেকে মাদক, জুয়া ও অন্যান্য খারাপ কর্ম দূর করতে খেলাধূলার বিকল্প নেই। ইতোমধ্যে দেশের প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে খেলার মাঠ তৈরির জন্য প্রধানমন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে প্রত্যেক জেলার জেলা প্রশাসককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যদি জমি কিনতে হয়, সেই পদক্ষেপ নেওয়া হবে। আবার কেউ দান করলে তাহলেও হবে। আগামী বছরের মধ্যে প্রত্যেকটি ইউনিয়নে সরকারের পক্ষ থেকে একটি করে মাঠ তৈরি করা হবে।
শেরপুরের জেলা প্রশাসক ফরিদা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ফাইনাল খেলার আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন শেরপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল ও পুলিশ সুপার একেএম জহিরুল ইসলাম।

ওইসময় অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক ও পৌর প্রশাসক আরিফা সিদ্দিকা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাকিল আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসমা বিনতে রফিক, শেরপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা, আদালতের জিপি খন্দকার মাহবুবুল আলম রকীব, বিএনপি নেতা আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, আবু রায়হান রূপন, জামায়াত নেতা মাওলানা জাকারিয়া মো. আব্দুল বাতেন, জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক মো. কামাল হোসেনসহ জেলা প্রশাসন ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল।
চ্যাম্পিয়ন ও রানার্সআপ দলের পাশাপাশি সেরা খেলোয়াড়, ম্যান অব দ্যা ম্যাচ, সর্বোচ্চ গোলদাতা এবং দর্শকদের জন্য ফ্রি কুপন এর মাধ্যমে সেরা দশজনকে দর্শককে পুরস্কার দেওয়া হয়। এতে প্রথম পুরস্কার ছিল একটি বাইসাইকেল।
প্রতিযোগিতায় দর্শকদের উপস্থিতি ছিল স্মরণকালের সর্বোচ্চ। খেলা বিকেল সাড়ে তিনটায় শুরু হলেও বেলা দুই টা থেকে স্টেডিয়ামের ভিতর ফুটবল প্রেমী দর্শকরা দলে দলে আসতে শুরু করে। একপর্যায়ে স্টেডিয়ামের গ্যালারির সকল আসন পরিপূর্ণ হলে দর্শকরা উপচে পড়া ভিড় ঠেলে মাঠের ভিতর প্রবেশ করে খেলা উপভোগ করেন।




