ads

বৃহস্পতিবার , ২৫ জানুয়ারি ২০২৪ | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে ব্যবসায়ীদের সাথে জেলা প্রশাসনের মতবিনিময়

চালসহ নিত্যপণ্যের বাজার নিয়ন্ত্রণে শেরপুরে চালকল মালিক, ব্যবসায়ী ও অংশীজনের সাথে মতবিনিময় সভা করেছে জেলা প্রশাসন। ২৪ জানুয়ারি বুধবার বিকেলে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম। ওইসময় তিনি বলেন, চাল ও নিত্যপণের বাজার যাতে অস্থিতিশীল না হয়, কেউ যেন অবৈধ পন্থা অবলম্বন করে দাম না বাড়ায় সে ব্যাপারে সকল ব্যবসায়ীদের সতর্ক থাকতে হবে।। এজন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।এছাড়া রমজানকে সামনে রেখে নিয়মিত বাজার মনিটরিং, বাজার পরিদর্শন এবং আইনের নির্দেশ অমান্য হলে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান চলমান থাকবে বলেও জানান তিনি।

Shamol Bangla Ads

সভায় অন্যান্যের মধ্যে জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক তাহসিনুল হক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস, ভোক্তা সংরক্ষণ অভিদপ্তরের সহকারি পরিচালক আরিফুল ইসলাম, চেম্বার সভাপতি আসাদুজ্জামান রৌশন, চালকল মালিক, ধান-চাল ও নিত্যপণ্যের ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন স্তরের সরকারি কর্মকর্তা, সাংবাদিক ও গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক ড. সুকল্প দাস পরিসংখ্যান উদ্ধৃত করে বলেন, খাদ্যে উদ্বৃত্ত জেলা হলো শেরপুর। সর্বশেষ জনগণনা অনুসারে জেলার ১৫ লাখ ৪২ হাজার ৬১০ জনসংখ্যার জন্য প্রতিবছর চাল প্রয়োজন হয় ২ লাখ ২ হাজার ৬৯২ মে. টন। কিন্তু প্রতিবছর বোরো ও আমন আবাদ মিলে জেলায় উৎপাদিত হচ্ছে ৭, লাখ ৫০ হাজার ২০৪ মে.টন। উদ্ধৃত্ত থাকছে প্রায় ৫ লাখ মে.টন। এতে শেরপুর জেলায় চালের দাম বৃদ্ধির কারণ থাকতে পারেনা। তার ওই বক্তব্যের সাথে ধান-চাল ব্যবসায়ীরা দ্বিমত পোষণ করে বলেন, শেরপুরের উৎপাদিত চাল এখানকার মানুষ খুব একটা খায় না। জেলার বাইরে বিক্রী হয়। এখানে বাইরে থেকে চাল আসে। বড় বড় কর্পোরেট প্রতিষ্ঠান এবং দিনাজপুর, নওগাঁ, কুষ্টিয়া, বগুড়ার চাল ব্যবসায়ীরাই মুলত: চালের বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। তারা মার্কেটে নামলে বাজার বেড়ে যায়। এখন মেবাইল ফোনে দ্রুত বাজার আপ-ডাউনের খবর চালাচালি হয়ে যায়।
চেম্বার সভাপতি আসাদুজ্জামান রওশন বলেন, নির্বাচনের কারণে ব্যবসায়ীরা সেভাবে ব্যবসায় মনোযোগী ছিলেন না। ধানের বাজারে নামেননি। নির্বচানের পর বাজারে সবাই নেমেছেন, বাজারে ধানের যোগনও কম ছিলো। যে কারণে ধানের দাম বাড়ার চালের বাজারও কিছুটা অস্থিতিশীল ছিলো। কিন্তু এখন বাজার নিচের দিকে নামতে শুরু করায় আস্তে আস্তে চালের দামও কমে যাচ্ছে। স্থানীয় কোন সিন্ডিকেট কিংবা বড় ধরনের মজুদদারও নেই। বরং জেলার চাল ব্যবসায়ীরা এখন দারুণ লসের সম্মুখীন এবং অনেকেই পূজি হারিয়ে ঋণের বোঝা বয়ে বেড়াচ্ছেন।
এদিকে, বাজার মনিটরিংয়ের অংশ হিসেবে শেরপুরে বিভিন্ন চালকলে সমন্বিত অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানকালে শহরের নৌহাটা এলাকার দূর্গা রাইস মিলে অন্য ব্র্যান্ডের বস্তাজাত চাল মজুদের অভিযোগে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪০ ধারায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। এছাড়া ঢাকলহাটি, দিঘারপাড়, শেখহাটি সহ বিভিন্ন এলাকায় ৬টি চালকলকে সতর্ক করা হয়।

Need Ads