আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সংসদ উপনেতা বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি বলেছেন, সরকার যা বরাদ্দ দেয় তার পাই পাই আপনাদের বুঝায়ে দেই। প্রতিবছরই আমার সাধ্যমতো দেওয়ার চেষ্টা করি। যারা পড়ালেখায় ভাল করেছে সেসব শিক্ষার্থীদের প্রণোদনা দেই। এতে করে শিক্ষার্থীরা উপকৃত হয় এবং পড়ালেখায় আরও উৎসাহ পায়। অন্যদিকে শীতের কম্বল দিলে সাধারণ মানুষের উপকার হয়, তাতে আমরা উপকৃত হই।

তিনি ১৮ অক্টোবর বুধবার দুপুরে তার নির্বাচনী এলাকা শেরপুরের নকলা উপজেলার উরফা ইউনিয়নের বারমাইসা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে শিক্ষার্থীর মাঝে আর্থিক প্রণোদনা ও হতদরিদ্রদের মাঝে কম্বল বিতরণকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ওইসব কথা বলেন।
ওইসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. সাইদুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া উম্মুল বানিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মোছা. আম্বিয়া খাতুন, সাধারণ সম্পাদক বীরমুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রিয়াদ মাহমুদসহ আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এদিন মতিয়া চৌধুরী নকলা উপজেলার উরফা ইউনিয়নের ১২টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির মেধাক্রমানুসারে ২০ জন করে ৯৮০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১ হাজার টাকা করে ৯ লক্ষ ৬০ হাজার টাকা ও ৪টি ইবতেদায়ী মাদরাসার দ্বিতীয় শ্রেণির মেধাক্রমানুসারে ২০ জন করে ৩২০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে ১ হাজার টাকা করে ৩ লক্ষ ২০ হাজার টাকার আর্থিক প্রণোদনাসহ ২শ হতদরিদ্রের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন।




