ads

বৃহস্পতিবার , ১৭ আগস্ট ২০২৩ | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নালিতাবাড়ীতে বহিস্কৃত শিক্ষকের বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের অভিযোগ

অভিজিৎ সাহা, নালিতাবাড়ী - ফটো কার্ড
আগস্ট ১৭, ২০২৩ ৮:০১ অপরাহ্ণ

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার খলাভাংগা মকবুল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের বহিস্কৃত শিক্ষক জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেছেন একই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলী আকবর।

Shamol Bangla Ads

বিদ্যালয়ের শিক্ষক, অভিভাবক ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বহিস্কৃত শিক্ষক জিয়াউর রহমান বিদ্যালয়ে যোগদানের পর থেকেই ছাত্রীদের সাথে কুরুচিপূর্ণ অশালীন কথা বলতেন। এ বিষয়ে কয়েকবার ম্যানেজিং কমিটি তাকে মৌখিকভাবে সতর্ক করে। কিন্তু অভিযুক্ত শিক্ষক জিয়াউর এসবের তোয়াক্কা না করে ২০১৯ সালের ২০ জুলাই ওই বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির এক ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান। অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী ও ছেলেদের ভয়ে বাড়িতে না এসে বিভিন্ন জায়গায় আত্মীয়-স্বজনদের বাড়ীতে ওই ছাত্রীকে নিয়ে অবস্থান করেন। পরে ২ মাস ১৫ দিন পর রাতের আঁধারে ওই শিক্ষার্থীকে তার বাবার বাড়ির সামনে রেখে পালিয়ে যান ওই শিক্ষক। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়। এলাকাবাসী ওই শিক্ষককে বহিষ্কারের দাবি জানিয়ে স্লোগান দেয়।

পরবর্তীতে বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ প্রদান করেন। নোটিশের জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় ম্যানেজিং কমিটির সিদ্ধান্ত মোতাবেক মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষাবোর্ড, ময়মনসিংহে আপিল এন্ড আরবিট্রেশন বোর্ডে প্রেরণ করেন। এ বিষয়ে ২০২১ সালের ১১ ডিসেম্বর সরেজমিনে তদন্ত করে তাকে চূড়ান্ত বহিস্কার করে শিক্ষাবোর্ড।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্ত শিক্ষক আক্রোশবশত: বিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনুমান নির্ভর তথ্য সাজিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দিতে শুরু করেন। সর্বশেষ গত ২৬ এপ্রিল বিদ্যালয়ের নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে অনিয়মের তদন্ত চেয়ে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

Shamol Bangla Ads

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ আলী আকবরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানকে নৈতিক স্থলনের কারণে বোর্ড বহিস্কার করেছে। এই আক্রোশ থেকেই সে মিথ্যা ও কাগজপত্র তৈরী করে আমার ও বিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি নষ্ট করতে ক্ষতি সাধনে লিপ্ত আছে। বর্তমানে সে শিক্ষক না তবুও বিভিন্ন অভিযোগে অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ দাখিল করে আসছে। এসব করে সে বিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করতে চাচ্ছে। আমি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি। তদন্তে হলে তার অভিযোগ ভুল প্রমাণিত হবে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত জিয়াউর রহমানের সাথে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

Need Ads