শেরপুরের নকলায় প্রতিবেশীর লালসার শিকার ১২ বছর বয়সী এক স্কুলছাত্রী অন্ত:সত্বা হয়ে পড়েছে। ওই ঘটনায় নকলা থানায় ৯ জুন রাতে ধর্ষণের অভিযোগে দায়েরের পর ১০ জুন শনিবার নুরুল ইসলাম (৪৫) নামে অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে নকলা উপজেলার চরঅষ্টধর ইউনিয়নের চরবসন্তী গ্রামে। নুরুল চরবসন্তী গ্রামের আছর বেপারীর ছেলে। তিনি পেশায় কৃষক। আর ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী হতদরিদ্র পরিবারের সন্তান ও স্থানীয় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পুলিশ ও স্কুলছাত্রীর পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, জীবিকার তাগিদে স্কুলছাত্রীর মা-বাবা ঢাকায় শ্রমিকের কাজ করে দিনাতিপাত করে। এজন্য স্কুলছাত্রী তার দাদীর কাছে থেকে স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে। নুরুল ইসলামের বাড়ির পাশ দিয়ে ওই স্কুলছাত্রী পারিবারিক কেনাকাটা করতে প্রায়ই চরঅষ্টধর ইউনিয়নের নারায়ণখোলা বাজারে যাওয়া-আসা করত। সে সুবাদে নুরুল ইসলাম স্কুলছাত্রীকে ফুঁসলিয়ে এবং বিভিন্ন প্রলোভনে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক গড়ে তোলে। এতে একপর্যায়ে স্কুলছাত্রী অন্ত:সত্বা হয়ে পড়লে ঘটনা জানাজানি হয়ে পড়ে। পরে ওই ঘটনায় ধর্ষক নুরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নকলা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন স্কুলছাত্রীর দাদী।

এ ব্যাপারে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নকলা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রোকন উদ্দিন জানান, স্কুলছাত্রীর দাদীর লিখিত অভিযোগ পেয়ে ৯ জুন শুক্রবার রাতে থানায় মামলা রেকর্ড করা হয়। ১০ জুন শনিবার সকালে নুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। রবিবার জেলা সদর হাসপাতালে স্কুলছাত্রীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।




