শেরপুরের নকলায় পাওনা টাকা না দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও মিথ্যা খবর প্রকাশের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন আয়শা বেগম (৪৮) নামে ভুক্তভোগী এক নারী। ২৮ মে রবিবার বিকেলে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবনে ওই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন তিনি। আয়শা উপজেলার পাঠাকাটা ইউনিয়নের কৈয়াকুড়ি নামাপাড়া গ্রামের আবুল কালামের স্ত্রী।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, আয়শার স্বামী আবুল কালাম কৃষিকাজ ও পোনামাছের ব্যবসা করে দিনাতিপাত করেন। নকলা পৌরসভার কুর্শাবাদাগৈড় মহল্লার আমজাদ হোসেনের ছেলে আছাদুজ্জামান (৩৮) বেশ কিছুদিন আগে আয়শার সাথে আত্বীয়তার সম্পর্ক তৈরি করেন। পরবর্তী আছাদুজ্জামান বিদেশে যাওয়ার কথা বলে স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র করে আয়শার কাছ থেকে ৫ লাখ টাকা ধার নেন। কিন্তু আছাদুজ্জান বিদেশে না গিয়ে ওই টাকা দিয়ে ২টি সিএনজি চালিত অটোরিকশা কিনেন।
বিষয়টি আয়শা জানতে পেরে আছাদুজ্জামানের কাছে ধার দেওয়া টাকা ফেরৎ চায়। কিন্তু আছাদুজ্জামান টাকা ফেরৎ না দিয়ে তাঁর স্বাক্ষরিত চুক্তিপত্রটি ফেরৎ পেতে আয়শার পরিবারকে ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রাণনাশের হুমকীসহ মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানি করছেন। তাছাড়া সম্প্রতি আছাদুজ্জামান একটি সাপ্তাহিক পত্রিকায় মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন খবর প্রকাশের মাধ্যমে আয়শার পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুন্ন করেছেন।

অভিযোগ বিষয়ে আছাদুজ্জামান জানান, আয়শার পরিবার দাদন ব্যবসায়ী। আমি তাঁদের কাছ থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টাকা ধার নিয়ে ২ লাখ ৮২ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি। এখন তাঁরা ভূয়া চুক্তিপত্র তৈরি করে আমার কাছে আরও টাকা দাবি করে আমাকে নানাভাবে হয়রানি করছে।
সংবাদ সম্মেলনে আয়শা বেগম, তাঁর স্বামী আবুল কালাম, জামাতা শরীফুল ইসলামসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।




