ads

শনিবার , ২৭ মে ২০২৩ | ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নালিতাবাড়ীতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে ঢলতার ফাঁদ থেকে মুক্তি পাচ্ছেন কৃষকরা

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় কৃষকদের ধান বাজারে বিক্রি করতে ‘ঢলতা’ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হতো৷ এতে ধান বিক্রিতে প্রতি দুই মণে চার কেজি ধান বেশি দিতে হতো কৃষকদের। ফলে প্রতি মৌসুমেই ধান বিক্রি করতে গিতে ঠকতে হতো কৃষকদের। পরে কৃষকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বুধবার বিকেলে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে কৃষক ও ধান ব্যবসায়ীদের নিয়ে গণশুনানীর আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। এতে চল্লিশ কেজিতে ধানের মণ নির্ধারণে ‘ঢলতা’র ফাঁদ থেকে মুক্তি পাচ্ছেন কৃষকরা৷

Shamol Bangla Ads

উপজেলার কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি মৌসুমেই কৃষকরা ধান বিক্রি করতে এলে স্থানীয় আড়তদাররা ৮০ কেজিতে (প্রতি দুই মণে) ঢলতে হিসেবে আরোও ৪ কেজি ধান বেশি নিতেন৷ কৃষকেরাও নিরুপায় হয়ে মেনে নিতেন। তবে এতে তাঁরা ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীনও হতেন।
পরে এই অনিয়মের প্রতিবাদ জানিয়ে কৃষকদের অধিকার আদায়ে গত বছর সাধারন কৃষকরা মিলে গড়ে তুলেন ‘নালিতাবাড়ী কৃষক উন্নয়ন ফোরাম। পরে ঢ্লতার প্রতিকার চেয়ে গত বছরের জুন মাসে প্রায় এক সপ্তাহ ধরে বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রায় দেড় হাজার কৃষকের স্বাক্ষর সংগ্রহ করে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়৷ পরে মানববন্ধন ও কৃষকদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে একচল্লিশ কেজিতে মণ হিসেবে ধান কেনা-বেচার সিদ্ধান্ত দেয় প্রশাসন।

পরে চলতি বোরো মৌসুমে ধান বিক্রিতে প্রতি দুই মণে আবারোও প্রতি দুই মণে চার কেজি ধান বেশি দিতে হতো কৃষকদের। পরে এর প্রতিকার চেয়ে৷ প্রায় দেড় হাজার কৃষকের স্বাক্ষরিত একটি স্মারকলিপি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খৃষ্টফার হিমেল রিছিলের কাছে দেয় নালিতাবাড়ী কৃষক উন্নয়ন ফোরাম।
পরে বিষয়টি সমাধানে গত বুধবার বিকেলে উজেলা পরিষদের সভাকক্ষে গণশুনানীর আয়োজন করে উপজেলা প্রশাসন। এসময় ইউএনও খৃষ্টফার হিমেল রিছিলের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ঈফফাত জাহান তুলি, নালিতাবাড়ী পৌরসভার মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক, উপজেলা আওয়ামীলীগ এর সাধারন সম্পাদক ওয়াজ কুরুনী, নালিতাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) আব্দুল লতিফ প্রমুখ। পরে৷ গণশুনানীতে কৃষক ও ধান ব্যবসায়ীদের কথা শুনে চল্লিশ কেজিতে ধান ক্রয়-বিক্রয়ের সিদ্ধান্ত দেয় প্রশাসন৷

Shamol Bangla Ads

কৃষক উন্নয়ন ফোরা‌মের সভাপ‌তি মাহমদুল আহসান লিটন বলেন, উপজেলার কৃষকের দাবী পূরন হয়ে‌ছে। আশা কর‌ছি এখন থে‌কে দুই ম‌ণে ৮০ কে‌জির স্থ‌লে চার কে‌জির ঢলতা না‌মে অ‌তি‌রিক্ত ধান দি‌য়ে কৃষক‌দের আর ঠক‌তে হ‌বে না। এ ব‌্যাপ‌রে সর্বক্ষ‌ণিক বাজার প‌রিদর্শিনে এক‌টি ক‌মি‌টি গঠ‌নের প্রস্তাব দেওয়া হ‌য়ে‌ছে।
আড়তদার রিজবী আহ‌মেদ ব‌লেন,ধান প‌রিস্কার ও শুকনা হ‌তে হ‌বে ধান রাখার বস্তার ওজন ছাড়া ৪০ কে‌জি‌তে এক মণ হি‌সে‌বে ধান নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হ‌য়ে‌ছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খৃষ্টফার হি‌মেল রি‌ছিল ব‌লেন, কৃষকরা কে‌জি হি‌সে‌বে ধান বি‌ক্রি কর‌বেন। শুধু বস্তার ওজন বাদ দেওয়া হ‌বে। এ‌তে ৪০ কে‌জি ধান হ‌লে ৪০ কে‌জির দাম এবং ৪২ কে‌জি হ‌লে ৪২ কে‌জির দাম পা‌বেন। এখা‌নে অ‌তি‌রিক্ত ধান হি‌সে‌বে ঢলতা আর থাক‌বে না। এ ব‌্যাপা‌রে প্রশাস‌নের পক্ষ থে‌কে বাজার প‌রির্দশন করা হ‌বে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads