শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় এক কিশোরীকে (১৬) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে মো. আলাল উদ্দিন (৩২) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। ১৮ ফেব্রুয়ারি শনিবার রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে নালিতাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করেন। অভিযুক্ত আলাল উদ্দিন উপজেলার তোয়ালকুচি গ্রামের মো. রফিকুল ইসলামের ছেলে। রবিবার দুপুরে জেলা সদর হাসপাতালে ওই কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।

পুলিশ ও কিশোরীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার সকালে ওই কিশোরীর বাবা কৃষি কাজের জন্য বাড়ির বাইরে চলে যান। তার মা কিশোরীর ছোট ভাইকে নিয়ে চিকিৎসকের কাছে যান। ওই সুযোগে সকাল ৯টার দিকে আলাল কিশোরীকে একা ঘরে পেয়ে দরজা বন্ধ করে দেন। পরে আলাল জোরপূর্বক ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করেন। এসময় ওই কিশোরী কান্নাকাটি করতে থাকেন। কিশোরীর বাবা বাড়িতে এসে মেয়ের কাছ থেকে ঘটনাটি জানতে পারেন।
পরে গত শনিবার ওই কিশোরীর পরিবার থেকে ঘটনাটি পোড়াগাঁও বিট পুলিশিংয়ের দায়িত্বে থাকা নালিতাবাড়ী থানার এসআই আবদুস সালামকে অবগত করা হয়। পরে থানা থেকে এসআই আবদুস সালামকে ঘটনাটি তদন্ত করতে বলা হয়। প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় গত শনিবার রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় শিশু ও নারী নির্যাতন দমন আইনে আলালের বিরুদ্ধে মামলা করেন। ঘটনার পর থেকেই আলাল পলাতক রয়েছেন।

ওই কিশোরীর মা বলেন, লম্পট আলাল খালি বাড়ি পেয়ে আমার মেয়ের জীবনটা সর্বনাশ করে দিয়েছে। আমি এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই। যাতে কেউ যেন আমার মেয়ের মত জীবনের সর্বনাশ করতে না পারে।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আলাল উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।
পোড়াগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য আবুল মুনসুর বলেন, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত আলাল উদ্দিন এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। বিষয়টি শোনার পর এ ব্যাপারে ভূক্তভোগী পরিবারকে আইনের আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে।
এ ব্যাপারে নালিতাবাড়ী থানার পরির্দশক (তদন্ত) মো. আবদুল লতিফ বলেন, ধর্ষণের বিষয়টি শোনার সাথে সাথে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পরে গত শনিবার রাতে ওই কিশোরীর মা বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত ব্যক্তি এলাকা ছেড়ে পালিয়ে গেছেন। তাকে গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।




