শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন ব্যবহারের মাধ্যমে ‘ধান কাটা উৎসব’ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ নভেম্বর বুধবার দুপুরে উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়নের পাঁচগাঁও বাজারে ওই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি অফিস এর আয়োজন করে।

এদিকে আমন ধান কাটা উৎসব উপলক্ষে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন ঢাকা খামারবাড়ির কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের পরিচালক তারিক মাহমুদুল ইসলাম।
নালিতাবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলমগীর কবিরের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন শেরপুর খামারবাড়ির উপপরিচালক ড. সুকল্প দাস, প্রকল্প মনিটরিং কর্মকর্তা রেজা রোকশানা, রেজুয়ানুল বারী, কলসপাড় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মজিদ, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা ফারুক হোসেন ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিলন প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি তারেক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, বোরো ও আমন মৌসুমে ধান কাটার সময় কৃষকরা শ্রমিক সংকটে পড়েন। তাই কৃষকের সোনার ফসল নির্বিঘ্নে ঘরে তুলতে শ্রমিক সংকট মোকাবেলায় অল্প খরচে অধিক জমির ফসল কাটতে সরকার কৃষিকে যান্ত্রিকীকরণ করেছে। এর আওতায় শতকরা ৫০ ভাগ ভর্তুকি মুল্যে সরকার কৃষকদের কৃষি যন্ত্রপাতি তথা কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন বিতরণ করছে। এই হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে ধান কাটা মাড়াই ও বস্তাবন্ধি করার সুবিধা থাকায় কৃষকরা অল্প খরচে অল্প সময়ে ধান কাটতে পারছেন। সে লক্ষে নালিতাবাড়ী উপজেলায় এবার ১৮টি কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন বিতরণ করা হয়েছে। এতে নালিতাবাড়ী উপজেলার ৫২ হাজার ৮০০ জন কৃষক এর সুবিধার আওতায় আসবেন।
পরে স্থানীয় কৃষক খন্দকার সালাউদ্দিন আলীমের ১ একর জমির আমন ধান হারভেস্টার মেশিনের সাহায্যে কাটার উদ্বোধন করেন অতিথিরা। এসময় গণমাধ্যমকর্মী, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাগণ ও কৃষক কৃষাণীরা উপস্থিত ছিলেন।




