শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সারের ডিলার পয়েন্ট পরিদর্শন ও সঠিকভাবে সার বিতরণ কার্যক্রম মনিটরিং করেছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। ২৩ সেপ্টেম্বর বুধবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত জেল শহর ও সদর উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ডিলার পয়েন্ট এবং খুচরা ডিলারদের ব্তিরণ কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন তারা।

সরেজমিনে শহরের নিউমার্কেট, রঘুনাথবাজার, কানাশাখোলা বাজার, ইমামবাড়ী বাজার ও কুসুমহাটি বাজারের বিভিন্ন সার বিক্রির দোকান এবং গুদাম পর্যবেক্ষণ করা হয়। এ সময় দোকান ও গুদামে সারের মজুত, সরবরাহ এবং বিক্রয় পরিস্থিতি দেখা হয়। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার বিক্রি হচ্ছে কি না, সেটিও খতিয়ে দেখেন কর্মকর্তারা।পরিদর্শনকালে এসব বাজারে সারের সরবরাহ ও বিক্রয় কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে এবং গতকাল ১০ বিসিআইসি ডিলারসহ ১৫ জন কারাগারে গেলেও সেটির দৃশ্যমান কোনো নেতিবাচক প্রভাব বাজারে পড়েনি বলে দেখা যায়।
পরিদর্শনকালে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) তানিয়া রহমান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুসলিমা খানম নীলু, অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা নুসরাত জাহান, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. নিজাম উদ্দীন, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আলামিন ও মোহাম্মদ আব্দুল মালেক আকন্দ উপস্থিত ছিলেন। ওইসময় শেরপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাসুদ হাসান বাদল, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আবু হানিফ, নিউজ ২৪ টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি জুবাইদুল ইসলাম, এখন টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি জাহিদুল খান সৌরভ, একাত্তর টিভির জেলা প্রতিনিধি তারিকুল ইসলাম, চ্যানেল এস এর জেলা প্রতিনিধি রাসেলসহ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের বিভিন্ন ধরনের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে কৃষি কর্মকর্তার দায়ের করা মামলায় গতকাল ২২ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার শেরপুর সদর উপজেলার ১০ বিসিআইসি ডিলারসহ ১৫ জনকে কারাগারে পাঠায় আদালত।




