শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার কলসপাড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (ইউপি) আব্দুল মজিদকে জড়িয়ে অপপ্রচার ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। কলসপাড় ইউপি সদস্যদের আয়োজনে ১৮ সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে পরিষদ কার্যালয়ে ওই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে পরিষদের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন প্যানেল চেয়ারম্যান মজিবর রহমান। তিনি বলেন, সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ওসমান গণি অনেক আগে পরিষদ সংলগ্ন ৮ শতাংশ জমি ক্রয় করেন। প্রায় ৪ মাস আগে ওই জমির দখল বুঝে পেতে বর্তমান পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদের কাছে আবেদন করেন। পরে বর্তমান চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদ অপর পক্ষ নওশেদ আলীকে তার দাবিকৃত ৭ শতাংশ জমির কাগজপত্র সংগ্রহ করতে সময় দেন। ৪ মাস অতিবাহিত হওয়ার একপর্যায়ে গত ৯ সেপ্টেম্বর উভয়পক্ষ এবং স্থানীয় গণ্যমান্যদের নিয়ে খারিজ অনুযায়ী ওসমান গণিকে সোয়া ৫ শতাংশ বুঝিয়ে দেওয়া হয়। এছাড়াও নওশেদ আলীর কাগজপত্র অনুযায়ী তার অংশটুকুও বুঝিয়ে দিতে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এদিকে সিদ্ধান্ত না মেনে নওশেদের আত্মীয়-স্বজন গত ১০ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ইউপির বালুঘাটা বাজারে আসে এবং ঘুরাফেরা করে। ওইসময় চেয়ারম্যানের আত্মীয়স্বজনসহ স্থানীয় লোকজন বিষয়টির প্রতিবাদ করলে উভয়পক্ষের মাঝে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি তাৎক্ষণিক নিস্পত্তি হয়ে গেলেও পরে ওই ঘটনায় চেয়ারম্যান আব্দুল মজিদকে প্রধান আসামী করে আদালতে মামলা দায়ের করে তৃতীয় পক্ষের আব্দুল মান্নান। মামলায় চেয়ারম্যান এর ভাতিজা এবং ঢাকায় পুলিশ কনস্টেবল হিসেবে কর্মরত আশরাফুলকেও আসামি করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্যরা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বলেন, গ্রামের ছোটখাটো সমস্যা সমাধান করাই আমাদের কাজ। ন্যায়সঙ্গত কাজ করতে গেলে যদি আমাদের প্রতিহিংসার শিকার হতে হয় তবে পরিষদের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এবং বিচারপ্রার্থী ভুক্তভোগীরা হতাশ হন। তাই আমরা এর প্রতিকার চাই।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চেয়ে যোগাযোগ করা হলে নওশেদের মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। এছাড়াও মামলার বাদী মান্নানের মুঠোফোনটি রিং হলেও তিনি রিসিভ করেননি।




