এবার কেজিপ্রতি পাঁচ টাকা বাড়ানো হয়েছে সরকারিভাবে বিক্রয়কৃত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চালের দাম। ওএমএস (খোলা বাজার) ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিক্রি উপলক্ষে শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ওই তথ্য জানানো হয়। ৩১ আগস্ট বুধবার দুপুরে উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আয়োজিত ওই প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হেলেনা পারভীন।

ওইসময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোকছেদুর রহমান লেবু, পৌর মেয়র আবু বক্কর সিদ্দিক, উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক কে এম নাসির, প্রেসক্লাবের সভাপতি আব্দুল মান্নান সোহেল, সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম মনির, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আব্দুল হান্নান, উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শহীদুল ইসলাম, বাঘবেড় ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সবুর, নালিতাবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান আসাদ, যোগানিয়া ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল লতিফ প্রমুখ।
প্রেস ব্রিফিং এ উপজেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক কে এম নাসির জানান, আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে খাদ্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে ওএমএস (খোলা বাজার) ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি শুরু হবে। এতে পৌর শহরের তিনটি ডিলারের কাছ থেকে ওএমএস কর্মসূচির আওতায় ৩০ টাকা কেজি দরে চাল কিনতে পারবেন টিসিবির উপকারভোগী ও সাধারণ ক্রেতারা। তবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির উপকারভোগীদের প্রতি কেজি ১০ টাকার পরিবর্তে ৫ টাকা বেড়ে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল কিনতে হবে।

উপজেলা প্রশাসন ও খাদ্য অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, ওএমএস কর্মসূচিতে উপজেলার ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) থেকে ২৩ হাজার ৬১২ জন উপকারভোগী চাল কেনার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন। তাঁরা প্রতি মাসে দুবার করে ৩০ টাকা দরে মোট ১০ কেজি চাল কিনতে পারবেন। এই কার্যক্রম আগামী তিন মাস চলমান থাকবে। এ ছাড়া সাধারণ ক্রেতারা সপ্তাহে পাঁচ দিন ৩০ টাকা কেজি দরে পাঁচ কেজি করে এই চাল কিনতে পারবেন। এতে তিনজন ডিলারের জন্য প্রতিদিন ৬ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ থাকবে।
এ ছাড়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে দুজন করে মোট ২৪ জন ডিলার এবং ১৫ হাজার ৫৩৮ জন উপকারভোগী রয়েছেন। বিগত সময়ে ১০ টাকা কেজি দরে প্রতিজন উপকারভোগী ৩০ কেজি চাল কিনতে পারতেন। তবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে চালের দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা বাড়ানোয় এখন থেকে ১৫ টাকা কেজি দরে চাল কিনতে হবে।




