শেরপুরে এক ব্যবসায়ীকে পিটিয়ে হত্যাচেষ্টার প্রতিবাদ ও ঘটনায় জড়িত জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. রেজাউল করিম রেজাসহ অন্যান্যদের গ্রেফতারে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে। ৩ জুলাই রবিবার দুপুরে শহরের নিউমার্কেট মোড়ে এলাকার সর্বস্তরের জনগণ ও জেলা মটরযান ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. গোলাম মোস্তফা মস্তু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান মতিন, জেলা মটরযান ওয়ার্কশপ শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মো. রিপন মিয়া, সাধারণ সম্পাদক মো. জুয়েল, আহত ব্যবসায়ীর বড়ভাই ও মামলার বাদী মো কামাল মিয়া, আহত ব্যবসায়ীর মেয়ে অপি, ছাত্রলীগ কর্মী মো. কারিমুল হাসান জিহাদ প্রমুখ।
মানববন্ধনে বক্তারা ব্যবসায়ী আব্দুল আওয়ালের উপর হামলা চালিয়ে নৃশংসভাবে হত্যার চেষ্টার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান। অন্যথায় কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।
এ ব্যাপারে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্ন্নান মিয়া জানান, আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশের একাধিক টিম বিভিন্ন জায়গায় অভিযান চালাচ্ছে। আশা করছি দ্রুতই তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।

উল্লেখ্য, গত ২৬ জুন রাত সাড়ে আটটায় শহরের নবীনগর বাসস্ট্যান্ডে আব্দুল আউয়ালের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান জিহাদ ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রেজাউল করিম রেজার নিদের্শনায় তার অনুসারীরা হামলা চালিয়ে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে ও রড দিয়ে পিটিয়ে আহত করে। আব্দুল আওয়াল বর্তমানে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এ ঘটনায় রেজাউল করিম রেজাসহ ১১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাত ৫/৬জনকে আসামি করে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর বড় ভাই মো. কামাল মিয়া। ওই ঘটনার ৫ দিন পর মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার কারণ দেখিয়ে কমিটি গঠনের সাড়ে ৪ বছর পর জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ।




