ads

রবিবার , ২৪ অক্টোবর ২০২১ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

এবার পা দিয়ে লিখে বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা দিলেন শেরপুরের ছুরাইয়া

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
অক্টোবর ২৪, ২০২১ ৯:০২ অপরাহ্ণ

এবার পা দিয়ে লিখে বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলেন শেরপুরের অদম্য মেধাবী প্রতিবন্ধী ছুরাইয়া জাহান (২১)। ২৪ অক্টোবর রবিবার পাশ্ববর্তী জামালপুরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গুচ্ছ পদ্ধতিতে ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন তিনি।

Shamol Bangla Ads

ছুরাইয়া শেরপুর সদর উপজেলার কামারিয়া ইউনিয়নের আন্ধারিয়া সুতিরপাড় গ্রামে। বাবা ছফির উদ্দিন উপজেলার বীর মুক্তিযোদ্ধা আতিউর রহমান মডেল একাডেমির সহকারী প্রধান শিক্ষক। তিন মেয়ের মধ্যে সুরাইয়া সবার বড়।

পরীক্ষার কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, মেঝেতে পাটির ওপর বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ও উত্তরপত্র রাখা। প্রশ্ন দেখে উত্তরপত্রে বৃত্তাকার ঘর পূরণ করছিলেন ছুরাইয়া। ডান পায়ের দুই আঙুলের মধ্যে কলম রেখে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন তিনি। ছুরাইয়া যে কক্ষে বসে পরীক্ষা দিচ্ছিলেন, সেখানে বাইরে বসে ছিলেন তার মা মুর্শিদা ছফির। তিনি জানান, ছুরাইয়ার দুটি হাতই বাঁকা ও শক্তিহীন। ঘাড়ও খানিকটা বাঁকা।

Shamol Bangla Ads

সুরাইয়ার বাবা ছফির উদ্দিন বলেন, ছয় বছর বয়সে ছুরাইয়াকে আন্ধারিয়া সুতিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয়। ২০১২ সালে সে জিপিএ ৩ দশমিক ৭৫ পেয়ে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষায় পাস করে। পরে ভর্তি করা হয় আন্ধারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ে। ২০১৫ সালে জিপিএ-৪ দশমিক ১১ পেয়ে জেএসসি পাস করে ছুরাইয়া। ২০১৮ সালে ওই বিদ্যালয় থেকেই জিপিএ-৪ পেয়ে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। পরে তাকে শেরপুর মডেল গার্লস ডিগ্রি কলেজে ভর্তি করা হয়। ২০২০ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৪ পেয়ে পাস করে সে।

বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, এই কেন্দ্রে একজন পরীক্ষার্থীই বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন। তাকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। সারা বাংলাদেশে অনেক বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ছেলেমেয়ে আছে। কিন্তু বেশির ভাগই ঘরবন্দী। তাদের লেখাপড়ায় সহযোগিতার জন্য আশপাশের সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads