করোনার নীরব যোদ্ধা মোহাম্মদ নাফিউল ইসলাম (বিএসসি)। তিনি করোনা মহামারির শুরু থেকে সাধারণ জনগণের মাঝে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। এর পাশাপাশি মানবিক সহায়তা ও জাতীয় পরিচয়পত্র সংগ্রহ করে নিজের খরচে রেজিস্ট্রেশন করে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন টিকার কার্ড। টিকা গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করছেন সাধারণ লোকজনকে। এ কার্যক্রমে ব্যাপক সাড়া পড়েছে এলাকায়। সর্বস্তরে আলোচনায় এসেছেন করোনার নীরব যোদ্ধা নাফিউল মাস্টার। তার এ কাজে সহযোগিতাকারী আসন্ন শ্রীবরদী সদর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও সাংবাদিক মো. ফরিদুজ্জামান খানসহ অনেকে বলছেন, তিনি মানবিক কাজ করেছেন। দুর্যোগময় সময়ে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে সহায়তাকারী মোহাম্মদ নাফিউল ইসলাম বিএসসি শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার শ্রীবরদী সদর ইউনিয়নের মামদামারি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ভেলুয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক। শুক্রবার সরেজমিন গেলে স্থানীয় লোকজন ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে কথা বলে ওঠে আসে এমন তথ্য।

মোহাম্মদ নাফিউল ইসলাম (বিএসসি) জানান, তিনি করোনার মহামারির শুরু থেকে স্কুল বন্ধ থাকায় শ্রীবরদী সদর ইউনিয়নের মামদামারি, আবুয়ারপাড়া ও ধামাহাটাসহ বিভিন্ন এলাকার লোকজনের মাঝে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। টিকা প্রদানের শুরু থেকে তিনি এলাকার লোকজনকে উদ্বুদ্ধ করছেন। ছাত্রছাত্রী ও অভিভাবকসহ সাধারণ লোকজনের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সংগ্রহ করছেন জাতীয় পরিচয়পত্র। টিকা গ্রহণের জন্যে নিজের খরচে রেজিস্ট্রেশন করে আবার বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন। তিনি বলেন, আমি ভালবাসি মাকে। ভালবাসি গ্রামের মানুষ ও দেশকে। সেই অনূভূতি থেকেই আমি এই মানবিক কাজে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছি। তিনি আরো বলেন, ইতোমধ্যে এলাকার ৬০ ভাগ মানুষ টিকা গ্রহণ করেছে। এমনকি এদের অনেকে দ্বিতীয় ডোজও নিয়েছেন। এসব টিকার কার্ড প্রিন্ট করে আমি সবার হাতে পৌঁছে দিচ্ছি। তিনি আরেক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আমার এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ সময় তাকে সহযোগিতা করেছেন স্থানীয় মাহবুবুল আলম দুলাল (বিএসসি), হাফেজ শহিদুল্লাহ ও মো. রাজন খানসহ অনেকে। এতে এলাকায় ব্যাপক সাড়া পড়েছে। স্থানীয়দের মাঝে প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি।




