শেরপুরের শ্রীবরদীতে প্রেমিকার বাড়িতে খুন হয়েছে মিজানুর রহমান (২৫) নামে এক যুবক। ৯ আগস্ট রবিবার রাতে উপজেলার ভেলুয়া ইউনিয়নের আকন্দপাড়া গ্রামে ওই ঘটনা ঘটে। মিজান পাশ্ববর্তী চাংপাড়া গ্রামের মোতালেব মিয়ার ছেলে। ওই ঘটনায় রাতেই বাবুল মিয়া (২৬) নামে এক যুবককে আটক করে পুলিশ। সোমবার দুপুরে জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে মিজানের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জানা যায়, মিজানের সাথে ভেলুয়া আকন্দপাড়ার আনছার আলীর স্বামী পরিত্যক্তা মেয়ে আফরোজার সাথে ২/৩ বছর ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলছিল। এরই জের ধরে রবিবার রাতে আনসার আলীর প্রতিবেশী ও স্থানীয় সাহেব আলীর ছেলে বাবুল মিয়া মিজানকে ডেকে প্রেমিকার বাড়িতে নিয়ে যায়। এক পর্যায়ে প্রেমিকার বাড়ির লোকজন মিজানকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। আহত হওয়ার পরও প্রাণ বাঁচাতে সে ডাক-চিৎকার দিয়ে দৌড়ে কিছুদূর এগিয়ে গেলেও এক পর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। এরপর স্থানীয়রা মিজানকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে নিহতের লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।
মিজানের বাবা বলেন, আমার ছেলে মুদি দোকান করতো। রাতে দোকান বন্ধ করার পর বাবুল আমার ছেলেকে ডেকে নিয়ে যায়। বেশ কিছুক্ষণ পর খবর পাই আমার ছেলে আকন্দপাড়ার আনসার আলীর বাড়িতে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে। বাবুলসহ আনসার আলীর লোকজনই আমার ছেলেকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। তিনি ওই ঘটনার বিচার দাবি করেন।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, ওই ঘটনায় জড়িত একজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে ১টি ‘দা’ ও কয়েক জোড়া জুতা উদ্ধার করা হয়েছে। সেইসাথে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ঘটনায় জড়িত বাকিদের ধরতে অভিযান চলছে।




