শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার আয়শা-আইনউদ্দিন মহিলা কলেজের প্রতিষ্ঠাতা-সভাপতি, শিক্ষানুরাগী, শেরপুর জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য এ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ঠাকুর (আমিনুল ঠাকুর) আর নেই। তিনি করোনায় আক্রান্ত হয়ে ৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটায় রাজধানী ঢাকার পপুলার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন (ইন্নালিল্লাহি……রাজিউন)। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই পুত্র, দুই কন্যাসহ বহু গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৯ বছর। শুক্রবার বিকেলে ভায়াডাঙ্গা মদিনাতুল উলুম কওমি মাদ্রাসা মাঠ প্রাঙ্গণে নামাজে জানাজা শেষে মরহুমের লাশ পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

আমিনুল ঠাকুরের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন শেরপুর জেলা জজ আদালতের পিপি অ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল, শ্রীবরদী উপজেলা চেয়ারম্যান এডিএম শহিদুল ইসলাম, শ্রীবরদী পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ আলী লাল মিয়া, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট একেএম মোখলেসুর রহমান আকন্দ, সাবেক সভাপতি একেএম মোছাদ্দেক ফেরদৌসী ও এ্যাডভোকেট রফিকুল ইসলাম আধার, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম ভাসানী, শ্রীবরদী আইনজীবী কল্যাণ সমিতির সভাপতি এ্যাডভোকেট আরিফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট শাহিদ উল্লাহ শাহী প্রমুখ।
উল্লেখ্য, এ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম ঠাকুর শিক্ষাজীবনে দুবার স্কলারশীপ পেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কৃতিত্বের সাথে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি শেরপুর শহরের বেসিক অটো রাইস মিলের স্বত্বাধিকারী। সম্পূর্ণ কৃষি আয়ের উপর নির্ভর করেও নিজের জমানো লক্ষ লক্ষ টাকা খরচ করে শ্রীবরদীতে একটি মহিলা কলেজ প্রতিষ্ঠা করেন। নারী শিক্ষার উন্নয়নে তিনি কাজ করে যান। তিনি দরিদ্র অসহায় নারী শিক্ষার্থীদের নিজ তহবিল থেকে শিক্ষা সহায়তা প্রদান করেন। এছাড়া বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নেও কাজ করেছেন তিনি।




