শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে করোনাভাইরাস সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের ১১তম দিনেও কঠোর অবস্থানে ছিল প্রশাসন। ১১ জুলাই রবিবার ঝিনাইগাতী বাজারে সপ্তাহের বড় হাট থাকায় উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জয়নাল আবেদীন, জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ রহমান ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ, বিজিবি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যসহ স্কাউটের সদস্যররা ছিলেন কঠোর অবস্থানে।

সরেজমিনে দেখা যায়, হোটেল-রেস্তোরাঁ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ও ওষুধের দোকান ছাড়া শহরের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ ছিল। স্বাস্থ্যবিধি মেনে গরু-ছাগলের হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপস্থিতি ছিল লক্ষ্যণীয়। শহরের ছয়টি পয়েন্টে পুলিশ, গ্রাম পুলিশ ও স্কাউটের সদস্যরা সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে অবস্থান নেয়। বাজারের বিভিন্ন স্থানে উপজেলা প্রশাসন ও পুলিশের পক্ষ থেকে পাঁচ শতাধিক মাস্কও বিতরণ করা হয়।
উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জয়নাল আবেদীন বলেন, জনসাধারণকে সরকারি বিধিনিষেধ মানাতে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সচেতনও করা হচ্ছে। করোনা সংক্রমণের হার কমাতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর অবস্থানেই থাকবে।




