ads

সোমবার , ২১ জুন ২০২১ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শ্রীবরদীতে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া পাকা ঘর পেলো প্রতিবন্ধী এতিম শিশু শান্ত

‘ছোডবেলায় বাবা মারা গেছে। মা ও আরেকজনেরে বিয়ে কইরা চইলা গেছে। মেলা দিন অইলো। মানষের বাইত থাকতাম। অহন পাকা ঘর পাইলাম। নিজের ঘরে থাকমু।’ কথাগুলো বলছিল, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার কাকিলাকুড়া ইউনিয়নের খামারবাড়ির দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিশু শান্ত (১৪)। শান্ত জানায়, প্রায় ৮ বছর আগে তার বাবা মারা গেছে। পরে তার মা ছোট বোনকে নিয়ে নানার বাড়ি চলে যায়। বছর দেড়েক আগে মা অন্যত্র বিয়ে করে ঘর বেঁধেছেন। এখন তার দিন কাটে খেয়ে না খেয়ে। রাতে থাকতে হয় অন্যের বাড়িতে।
স্থানীয়রা জানান, এখানে তাদের ঘর ছিল। তবে খাসজমি হওয়ায় সেখানে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হতদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থায়নে নির্মিত হয়েছে পাকা ঘর। ওইসময় শিশু হওয়ায় তার জন্য পাকা ঘরের বরাদ্দ হয়নি। মানবিক কারণে ওই শিশুর জন্য ওই স্থানেই পাকা ঘরের বরাদ্দ দেওয়া হলো। রবিবার প্রধানমন্ত্রী জেলার বিভিন্ন এলাকায় পাকা ঘর উপহার হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করেন। এরমধ্যে ওই শিশু শান্তও পেলো পাকা ঘর। এতে খুশি প্রতিবন্ধী শান্তসহ তার আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীরা।
জানা যায়, দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শান্তর বাবা আফছার আলী ছিলেন খামারবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি সেখানে দোচালা একটি টিনের ঘরে বসবাস করতেন। দিনমজুরি করে চালাতেন সংসার। প্রায় ৮ বছর আগে দুই সন্তান রেখে মারা যান আফছার আলী। এরপর তার স্ত্রী বিধবা ছাহেদা খাতুন কিছুদিন সেখানে ছিলেন। অভাবের তাড়নায় ছেলে শান্তকে রেখে ছোট মেয়ে সাথীকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে যান। শান্ত মাঝেমধ্যে মায়ের কাছে যেত। বছর দেড়েক আগে তার মায়ের অন্যত্র বিয়ে হয়। ফলে শান্তর ওই পথও বন্ধ হয়। তার নানাও খুব গরীব। সেখানেও তার ঠাঁই হয়নি। তাই বাবার রেখে যাওয়া ঘরে থাকত শান্ত। তাকে সহায়তা করতো তার কাকা-কাকি ও প্রতিবেশীরা। পড়ালেখার সুযোগ কখনোই হয়নি তার।
এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিলুফা আক্তার বলেন, ‘মানবিক কারণে তাকে ঘর দেওয়া হলো। এখন তাকে আর অন্যের বাড়িতে থাকতে হবে না।’
এদিকে, ওই ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মানবিক ইউএনও হিসেবে আখ্যায়িত করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ওই শিশুর আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকার মানুষ।

Need Ads