স্টাফ রিপোর্টার : শেরপুরের সীমান্তবর্তী পাহাড়ি জনপদে মানুষ-হাতির দ্বন্দ্ব নিরসন সংক্রান্ত উচ্চ পর্যায়ের এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২৩ মে শনিবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ রজনীগন্ধ্যায় আইইউসিএন ও বন বিভাগের স্ট্রেনদেনিং রিজিওনাল কো-অপারেশন ফর ওয়াইল্ড লাইফ প্রটেকশন প্রজেক্ট (এসআরসিডব্লিউপি)-এর সহায়তায় বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
এতে মানুষ ও বন্যহাতির মধ্যে দ্বন্দ্বের কারণ ও প্রভাব এবং এ থেকে পরিত্রাণের উপায় সংক্রান্ত মাঠপর্যায়ের গবেষণার আলোকে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন আইইউসিএন এর কান্ট্রি রিপ্রেজেনটেটিভ ইশতিয়াক উদ্দিন আহমদ। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন এসআরসিডব্লিউপি জাতীয় বিশেষজ্ঞ কমিটির চেয়ারম্যান সাবেক সচিব ড. মিহির কান্তি মজুমদার। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাকীর হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি প্রকল্প পরিচালক উপ-প্রধান বন সংরক্ষক মো. আকবর হোসেন, পাখি ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞ ড. ইনাম আল হক, জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোস্তফা ফিরোজ প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
আলোচনা সভায় শেরপুরের শ্রীবরদী, ঝিনাইগাতী ও নালিতাবাড়ী উপজেলার বন্যাহাতি উপদ্রুত এলাকার ভুক্তভোগী অধিবাসী, জনপ্রতিনিধি, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা, বনবিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তাবৃন্দ, এনজিও প্রতিনিধি, স্থানীয় সাংবাদিক ও সুধীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সভায় মানুষ-হাতি দ্বন্দ্ব নিরসন সংক্রান্ত বনবিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরা হয়। এর মধ্যে রয়েছে শেরপুর সীমান্তের ৪ কিলোমিটার এলাকার মধ্যে ১শ একর জমিতে ১৮ প্রজাতির ২৫ হাজার হাতির খাদ্য জাতীয় গাছ রোপন, পরীক্ষামূলকভাবে ৩ কিলোমিটার এলাকায় সোলার প্যানেল শক ইত্যাদি। ইতোমধ্যে সীমান্তের শ্রীবরদী পাহাড়ি এলাকায় ১শ একর জমিতে প্রায় ১৮ হাজার চারা রোপন করা হয়েছে, যাতে করে হাতি খাদ্যের অভাবে আর ভবিষ্যতে এ সীমান্তের সাধারণ মানুষের কোন ক্ষতি না করতে পারে।




