ads

বুধবার , ২৭ আগস্ট ২০১৪ | ১ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

মেহেরপুরে সাপ আতংক : চারদিনে অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষকে দংশন

রফিকুল ইসলাম আধার , সম্পাদক - ফটো কার্ড
আগস্ট ২৭, ২০১৪ ২:০৩ অপরাহ্ণ

Pic-1মেহের আমজাদ,মেহেরপুর : মেহেরপুর সদর উপজেলার পুরাতন মদনাডাঙ্গা গ্রামে গত চারদিনে কমপক্ষে ষাট ব্যক্তিকে সাপে দংশন করেছে। বিষাক্ত সাপের দংশনের ফলে গ্রামটির নারী-পুরুষ ও শিশুদের মধ্যে চরম সাপ আতংক বিরাজ করছে। মাঠে ঘাটে কাজে যেতে এবং শিশুদের স্কুলে পাঠাতেও ভয় করছে এ গ্রামের মানুষ। স্থানীয় ওঝা (কবিরাজ) দিয়েই চলছে এসব সাপে কাটা রোগীদের চিকিৎসা। তবে স্বাস্থ্য বিভাগ বলছে, আধুিনক চিকিৎসা সেবা থাকায় এ ধরণের ওঝা দিয়ে চিকিৎসা করা ঠিক নয়।
মেহেরপুর সদর উপজেলার একটি গ্রামের নাম পুরাতন মদনাডাঙ্গা। মেহেরপুর শহর থেকে সাড়ে তিন কিলোমিটার পূর্বদিকে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের দু’পাশে এ গ্রামের অবস্থান। সাপ আতংকের খবর শুনে মঙ্গলবার সরজমিনে ঐ গ্রামে গিয়ে দেখা গেছে আতংকের চিত্র। মদনাডাঙ্গা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম, ইমাদুল ইসলাম, আব্দুল মান্নান সহ কয়েকজন ওঝা আছে। তাদের কাছে মানুষের জটলা। সাপে কাটা এক গৃহবধুর বিষ নামাচ্ছেন তারা। বিভিন্ন ধরণের গাছ গাছড়া বেটে রস খাইয়ে আর ব্লেড দিয়ে কেটে লবন ও লেবুর রস দিয়ে ডলে ডলে রক্ত বের করা হচ্ছে। বিষযুক্ত রক্ত বের করতে পারলে বিপদ কেটে যাবে এমন ধারণা সকলের। গ্রামের আজিমদ্দিন জানায়, তার মেয়ে জলি শনিবার বিকেলে রান্নার কাজ করছিল। এ সময় একটি সাপের বাচ্চা তার পায়ে দংশন করে চলে যায়। গ্রামের ওঝা আব্দুল মান্নানের কাছে নিয়ে গেলে তিনি বিষ নামিয়ে দেন। তিনি আরও জানান, শনিবার সন্ধ্যা থেকে সোমবার সকাল পর্যন্ত কাকলি, হুদা, বেগম, জসিম, শম্পা, ববিতা, তরিকুল, নার্গিস, আয়েশা, জিবননারা, মিজান, ঝর্না, শিরিন, জুয়েল, সুফিয়া, হাবিব, আলমগীর, ইলিয়াস, লিটন, আশাদুল, ইসরাফ সহ কমপক্ষে ত্রিশ জনকে সাপে কাটে। একের পর এক সাপে কাটায় দিশেহারা হয়ে পড়ে মানুষ। গ্রামের ওঝারাও রোগীদের চিকিৎসা দিতে গিয়ে হিমশিম খেয়েছে। ফলে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম আতংক বিরাজ করছে। সাপের ভয়ে মানুষ মাঠে ঘাটে কাজ করতে যাচ্ছে না। বিছানাই ঘুমাতে, শিশুদের স্কুলে পাঠাতেও ভয় পাচ্ছে মানুষ। চলতে ফিরতে, খেতে বসতে সবখানেই যেন সাপ আতংক। গ্রামের কেউ কেউ বাড়ি ছেড়ে অন্য জায়গায় স্বজনদের বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছে। সন্ধ্যা নামলে কেউ বাড়ি থেকে বের হচ্ছে না। বিশেষ প্রয়োজনে বের হলে লাইট ও লাঠি শোটা নিয়ে বাইরে বের হচ্ছেন। বাইরের গ্রাম থেকে কেউ ঐ গ্রামে গেলে দিন থাকতে বাড়ি ফেরারও পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।
গ্রামের ইউপি সদস্য মিজানুর রহমান মিলন জানান, এ গ্রামে এর আগেও সাপের উপদ্রব দেখা গেছে। তবে এ বছর যেন মাত্রাতিরিক্ত। ফলে গ্রামবাসীর মধ্যে চরম আতংক বিরাজ করছে। সাপের কামড় খাওয়া কলেজ ছাত্রী জলি জানায়, বিষের কারণে তার প্রচন্ড যন্ত্রণা শুরু হয়। পরে স্থ্নাীয় কবিরাজের কাছে নিয়ে গেলে তিনি বিষ নামিয়ে দেন। এখন বেশ সুস্থ। কবিরাজ আব্দুল মান্নান জানান, ভাদ্র মাসে সাপের ডিম থেকে বাচ্চা ফোটে। এরপর ছোট ছোট সাপের বাচ্চাগুলো চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। বাচ্চা সাপ সাধারণত সবখানেই বিচরণ করে। ভয় পাই কম। তাই যে কোন জায়গা থেকে মানুষ ঐ সমস্ত বাচ্চা সাপের দংশনের শিকার হচ্ছে। বাচ্চাগুলো বড় হয়ে গেলে লোকালয় ছেড়ে চলে যাবে। সাপের কামড় খাওয়া অনেকেই জানিয়েছেন তারা সাপ দেখতে পায়নি। তবে ক্ষতস্থানে চুলকানি, জ্বালাপোড়া এবং ভারি হয়ে যাওয়ায় ওঝার কাছে গেলে সাপে কাটার বিষয়টি নিশ্চিত হচ্ছেন।
মেহেরপুর সিভিল সার্জন ডাঃ ইসমাইল ফারুক জানিয়েছেন, সাপে কাটা রোগীকে ওঝা দিয়ে যে চিকিৎসা দেয়া হচেছ তা ঠিক নয়। এতে বড় ক্ষত স্থানে পচন সহ বিভিন্ন ধরণের ক্ষতি হতে পারে। বর্তমানে সাপে কাটা রোগীর জন্য আধুনিক চিকিৎসা সেবা রয়েছে। তাই রোগীদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ারও পরামর্শ দিলেন তিনি।

মেহেরপুর মহিলা কলেজে ক্লাস নিলেন প্রফেসর ফরহাদ হোসেন এমপি

Shamol Bangla Ads

মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রফেসর ফরহাদ হোসেন মেহেরপুর সরকারি মহিলা কলেজে ক্লাস নিয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৯ টায় তিনি কলেজের একাদশ শ্রেণির প্রথম বর্ষের ইংরেজি বিষয়ের ক্লাস নেন। এসময় ছাত্রীরা শ্রেনি কক্ষে তার ইংরেজি বিষয়ের পাঠদান উপভোগ করে। এর আগে সেখানে ছাত্রীদের উদ্দেশ্যে অধ্যক্ষ প্রফেসর আ.ফ.ম শফিকুর রহমান বক্তব্য রাখেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন উপাধ্যক্ষ আহসান উল্লাহ, প্রভাষক ড. গাজী রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য, সোমবার মেহেরপুর সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সভায় মত বিনিময়কালে পৌর মেয়র আলহাজ মোতাচ্ছিম বিল্লাহ মতুর দাবির প্রেক্ষিতে সংসদ সদস্য প্রফেসর ফরহাদ হোসেন সপ্তাহে একদিন ক্লাস করার সম্মতি প্রকাশ করেন। এরই অংশ হিসেবে গতকাল তিনি একাদশ শ্রেনিতে ক্লাস নেন।
এদিকে এদিন দুপুরে সংসদ সদস্য প্রফেসর ফরহাদ হোসেন জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে অধ্যক্ষ প্রফেসর আ.ফ.ম শফিকুর রহমান, উপাধ্যক্ষ আহসান উল্লাহ, প্রভাষক ড. গাজী রহমান, আব্দুর রাজ্জাক, খসরু ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

মেহেরপুরে শিক্ষকের হাতে শিক্ষার্থী প্রহৃত॥ তদন্ত কমিটি গঠন

মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষকের হাতে প্রহৃত হয়েছে ৮ম শ্রেণির এক ছাত্র। এ ঘটনায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে মেহেরপুর জুড়ে। ঘটনার বিচার চেয়েছেন স্কুল ছাত্রের পিতা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম। প্রতিষ্ঠান প্রধান সুষ্ঠু বিচারের আশ্বাস দিয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি করে ৩ দিনের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার কথা বলেছেন।
জানা যায়, মেহেরপুর জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলন অধিদপ্তরের প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে নূর আরাফাত তুর্য্য। সে মেহেরপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির (দিবা) খ শাখার একজন নিয়মিত ছাত্র। গত সোমবার ক্লাস চলাকালে ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ আব্দুল হক তুর্য্যকে অকারণে মারধর করেন। এঘটনায় তুর্য্য অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং খবর পেয়ে তার পিতা স্কুল থেকে নিয়ে স্থানীয় ক্লিনিকে চিকিৎসা দিয়েছেন। তুর্য্য এখনো অসুস্থ রয়েছে বলে তার পরিবারের পক্ষ থেকে জানা গেছে।
তুর্য্য’র পিতা প্রকৌশলী জাহাঙ্গীর আলম জানান, তার ছেলের এলার্জি রোগের কারণে নাকে হাত দিয়ে চুলকাচ্ছিল। এসময় আলোচিত শিক্ষক আব্দুল হক স্কেল দিয়ে তাকে মারধর করেন। একটি স্কেল ভেঙে গেলেও তিনি আরো একটি স্কেল ব্যবহার করেন। তিনি বিচার চেয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বরাবর আবেদন করেছেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাসুদা খানম সাংবাদিকদের জানান, শিক্ষার্থীদের মারার নিয়ম নেয়। কিভাবে শিক্ষক আব্দুল হক শিক্ষার্থী তুর্য্যকে মারলেন তা জানিনা। শুনেছি এবং সাথে শিক্ষার্থীর পিতার একটি অভিযোগ পেয়েছি। সুষ্ঠু বিচারের জন্য ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। ৩ দিনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads