ads

মঙ্গলবার , ২৬ মে ২০২৬ | ১২ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে গরুর বাজার, ক্রেতাদের ভিড়

স্টাফ রিপোর্টার
মে ২৬, ২০২৬ ৮:১৭ অপরাহ্ণ

শেরপুরে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে ঘিরে কোরবানির পশু বেচাকেনা শুরু হয়েছে। শুরুর দিকে খামার ও গৃহস্থের বাড়ি থেকে পছন্দের কোরবানির পশু কিনলেও শেষ মুহূর্তে ক্রেতারা ভিড় জমাচ্ছেন জেলার বিভিন্ন পশুর হাটে। এদিকে শেরপুরের পশুর হাটগুলোতে অতিরিক্ত গরম বা বৃষ্টিতে পশু যাতে অসুস্থ হয়ে না পড়ে সেজন্য জন্য সতর্ক রয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। ছোট বড় সব ধরনের খামারিদের ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে রক্ষার্থে প্রতিটি হাটে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের উদ্যোগে ভেটেরিনারি মেডিক্যাল টিম কাজ করছে।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, শেরপুর শহরের নওহাটা পৌর গরু-মহিষের হাট, চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের সাতপাকিয়া এলাকায় আব্দুস সামাদ গরুরহাট, নালিতাবাড়ী বাইপাস মোড় হাট, ঝিনাইগাতী সদর বাজার হাট ও শ্রীবরদীতে ভালো দামের আশায় গরু নিয়ে যাচ্ছেন খামারী, গৃহস্থ ও পাইকাররা। খামারিরা জানান, ভালো দামের আশায় তারা সারাবছর গরু লালন-পালন করেছেন। তবে ধানের কুড়া, খেসারি, ধান, ভুট্টা ও ভুসিমিশ্রিত দানাদার খাবার সবকিছুর বাজার চড়া। কাঁচা ঘাসও সহজে পাওয়া যায় না। আর খড়ের দামও অনেক বেশি। তার মধ্যে শ্রমিকের মজুরি, বিদ্যুৎ বিল, চিকিৎসা খরচসহ আনুষঙ্গিক সকল খরচ অনেক বেশি। তাই লাভের অংক এবার মিলানো কঠিন।

ঝিনাইগাতী উপজেলার সদর হাটে কথা হয় কাংশার খামারি আব্দুল কাদের মিয়ার সাথে। তিনি বলেন, বাপু এবার সব কিছুর দাম বেশি। ভূসি ৬৫ টাকা কেজি, কুড়ার বস্তা ১৫’শ, খড়ের আটি সাড়ে সাত টাকা থেকে আট করে পড়েছে। এরমধ্যে শ্রমিক খরচের হিসেব রয়েছে। আর হাটে ক্রেতারা একেবারেই বেমানান দরাদরি করছে। একই কথা জানান নালিতাবাড়ী বাইপাস মোড় হাটে আসা খামারি হোসাইন মিয়া। তিনি বলেন, খাবার থেকে পোশাক, সবকিছুর দাম বেড়েছে। কোথাও আপত্তি নেই, আপত্তি কেবল গরুর নায্য দাম চাইলে। এবার আমাদের লাভ হবে না আর যদি ভারতীয় গরু আসে তাহলে সর্বনাশ। আমাদের খামারিদের বিরাট ক্ষতি হয়ে যাবে।

Shamol Bangla Ads

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রেজুয়ানুল হক ভূঁইয়া বলেন, খামারিরা এখন প্রাকৃতিক উপায়ে পশু মোটাতাজাকরণে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছেন। খামারে গরুকে যেন ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহারের মাধ্যমে মোটাতাজা না করা হয়, সে বিষয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রম চালিয়েছে। পাশাপাশি জেলার ৫টি উপজেলার পশুর হাটগুলোতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ১৮ টি টিম কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, এবার জেলায় কোরবানির পশুর চাহিদা রয়েছে ৬২ হাজার। আর যোগান রয়েছে প্রায় ৯৩ হাজার পশু। উদ্বৃত্ত পশু রাজধানী ঢাকাসহ জেলার বাইরে বিভিন্ন স্থানে বিক্রি হবে। জেলায় এবার ২০টি স্থায়ী হাট বসেছে। প্রতিটি হাটেই আমাদের মেডিক্যাল টিম কাজ করছে। হাটে আনা গবাদি পশুর যে কোন সমস্যায় তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।

Need Ads
error: কপি হবে না!