ads

শুক্রবার , ১৮ জুন ২০২১ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীর গজনী অবকাশে বঙ্গবন্ধু-মুক্তিযুদ্ধ ও নৃ-তাত্ত্বিক জাদুঘর উদ্বোধন

জুবাইদুল ইসলাম - ফটো কার্ড
জুন ১৮, ২০২১ ১১:৫৯ অপরাহ্ণ

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ সময়কার নানা স্মৃতি-অবদান এবং ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের সংস্কৃতি ও ঐত্যিবহনকারী গল্প নিয়ে শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ’ এবং ‘ক্ষৃদ্র নৃ-গোষ্ঠী’ নামে জাদুঘরের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার সীমান্তবর্তী গজনী অবকাশ পর্যটনকেন্দ্রে ওই জাদুঘরের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব। গজনী অবকাশ পর্যটনকেন্দ্রের ওয়াচ টাওয়ারের সামনে ওই জাদুঘরের অবস্থান।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক (উপ-সচিব) এটিএম জিয়াউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট তোফায়েল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুকতাদিরুল আহমেদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) ফরিদা ইয়াছমিন, ঝিনাইগাতী উপজেলা চেয়ারম্যান এসএম আব্দুল্লাহেল ওয়ারেজ নাইম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবেল মাহমুদ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার নুরুল ইসলাম হিরু, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার মোয়াজ্জেম হোসেন সুরুজ ও জিন্নাত আলী, বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাডভোকেট প্রদীপ দে কৃষ্ণ, নকলা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিটের সাবেক কমান্ডার কমান্ডার মনসুর আলী, আদিবাসী নেত্রী রনেতা ম্রং ও কেয়া নকরেক, প্রেসক্লাব সভাপতি শরিফুর রহমান, সাবেক সভাপতি রফিকুল ইসলাম আধার, সাধারণ সম্পাদক মেরাজ উদ্দিন, সিনিয়র সাংবাদিক আব্দুর রহিম বাদল, সঞ্জীব চন্দ বিল্টু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Shamol Bangla Ads

জানা যায়, জাদুঘরটি দুই ভাগে বিভক্ত করে ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ’ এবং ‘ক্ষৃদ্র নৃ-গোষ্ঠী’ নামে নামকরণ করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতি বিজড়িত জাদুঘরে ঢুকতেই চোখে পড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দুর্লভ কিছু ছবি। রেসকোর্সের ৭ই মার্চের ভাষণসহ বঙ্গবন্ধুর নানা সময়কার ছবি কাচের ফ্রেমবন্দি। রয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা, মানচিত্র, ভাষা আন্দোলনে শহীদদের ছবি, সাতজন বীরশ্রেষ্ঠদের ছবিসহ মুক্তিযুদ্ধ সময়কার শেরপুর জেলায় ঘটে যাওয়া বিভিন্ন স্থানের স্মৃতিবিজড়িত ছবি। প্রত্যেকটি ছবির নিচে রয়েছে প্রেক্ষাপটের কথা। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা সম্বলিত বিভিন্ন ধরণের বইসহ রয়েছে ‘বুক সেলফ’। আরও আছে শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের নামের তালিকা। এছাড়া বিশেষ শব্দযন্ত্রের মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মাচের ভাষণসহ দেশাত্মবোধক গান প্রচারের ব্যবস্থা রয়েছে এ যাদুঘরে। ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য বহনকারী ‘ক্ষৃদ্র নৃ-গোষ্ঠী’ নামে জাদুঘরে রয়েছে তাদের ব্যবহৃত বিভিন্ন পোশাক, গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ। এতেও বিশেষ শব্দযন্ত্রের মাধ্যমে ক্ষুদু নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যবাহী সঙ্গীত প্রচারের ব্যবস্থা আছে।
আদিবাসী নেত্রী রবেতা ম্রং বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ’ এবং ‘ক্ষৃদ্র নৃ-গোষ্ঠী’ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত করে ডিসি মহোদয় এক দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন। এর মাধ্যমে আমাদের তরুণ প্রজন্মরা আদিবাসীদের সংস্কৃতি ও ঐত্যিবহনকারী বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে জানতে পারবে।
জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার নুরুল ইসলাম হিরু বলেন, জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব মহোদয়ের একক প্রচেষ্টায় বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর প্রতিষ্ঠিত হল। এটি শেরপুর জেলার জন্য মাইলফলক। এটিকে আমাদের সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আগামী দিনে এটিকে আরও সমৃদ্ধ করব, এটাই হোক আমাদের মূল লক্ষ্য। আজকে আমাদের যাত্রা শুরু হলো, এ যাত্রা অব্যাহত থাকবে।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আনার কলি মাহবুব বলেন, গারো পাহাড়ের প্রাদদেশে অবস্থিত ছোট্ট জেলা শেরপুরের মুক্তিযুদ্ধের অবদান ও ইতিহাস অনেক সমৃদ্ধ। জেলা প্রশাসনের একটি উদ্যোগ ছিল শেরপুরে মুক্তিযুদ্ধের গণহত্যা স্মৃতি সংরক্ষণ ও মুক্তিযুদ্ধকে পরবর্তী প্রজন্মকে জানানোর ব্যবস্থা করা। ‘গজনী অবকাশ’ একটি পর্যটনকেন্দ্র, এখানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ বেড়াতে আসে। তাই বঙ্গবন্ধুর জীবন ও মুক্তিযুদ্ধে তার অবদান এবং শেরপুরের মুক্তিযুদ্ধারা কোথায় ও কীভাবে যুদ্ধ করেছিলেন তা সারা দেশের মানুষের কাছে তুলে ধরতে মূলত এ পর্যটনকেন্দ্রটি বেছে নেওয়া হয়েছে। জাদুঘরে প্রবেশের জন্য কোন টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হয়নি। এটি সবার জন্য উন্মুক্ত। তিনি আরও বলেন, আরেকটি উদ্যোগের মধ্যে ছিল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর জীবনযাত্রা তুলে ধরা। তাদেরকে সুন্দরভাবে তুলে ধরার জন্য ‘ক্ষৃদ্র নৃ-গোষ্ঠী’ জাদুঘর প্রতিষ্ঠতা করা। এটি আমাদের একটি ক্ষুদ্র চেষ্টা, এটি আমরা শুরু করলাম। এটি দিনে দিনে পরিপূর্ণ হয়ে উঠবে।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads