ads

বুধবার , ২৪ জানুয়ারি ২০২৪ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শ্রীবরদীতে ব্রীজে নেই সংযোগ সড়ক: ভোগান্তিতে দু’পাড়ের হাজারো মানুষ

রেজাউল করিম বকুল - ফটো কার্ড
জানুয়ারি ২৪, ২০২৪ ২:১৬ অপরাহ্ণ

‘ব্রীজ আছে, ব্রীজের দু’পাশে মাটি না থাকায় আমরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছি। কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারেনা। মালামাল আনা নেয়া করতে পারি না। আমরা মেলা কষ্টে পারাপার হই।’ কথাগুলো বলিছেলন, শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলার গড়পাড়া গ্রামের বাসিন্দা কৃষক মুনছর আলী (৫৬)। তার মতো ব্রীজে পারাপাড়ে অপর পাড়ের মাদারপুর গ্রামের বাসিন্দা মকবুল হোসেন (৫৪) বলেন, ছোড ছোড পোলাপানরা এইহান দিয়া যাইতে পারে না। জীবনের ঝুঁকি নিয়া হয়। সরহার দেশে এতো উন্নয়ন করছে। এইহানের ব্রীজে মাটি দিলেই যানবাহন যাওয়া আসা করতে পারবো। আমগোর আর কষ্ট করতে অইবো না।’ ২৩ জানুয়ারি মঙ্গলবার সরেজমিন গেলে এভাবেই ভোগান্তির চিত্র তুলে ধরেন বয়সা খালের ওপর মাদারপুর-গড়পাড়া সড়কের ব্রীজের দু’পাড়ের মানুষরা।
স্থানীয়রা জানান,  ব্রীজটি নির্মাণ হয়েছে প্রায় ২ যুগ আগে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে ব্রীজটি নির্মাণ ব্যায় হয় ৮০ লাখ টাকা। গত ৬ বছর আগে বন্যার কারণে ভাঙ্গনের কবলে পড়ে ব্রীজের দুই পাশের সংযোগ সড়ক। সেই থেকে ব্রীজে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা বাঁশের খুটির উপর ৩টি বাঁশ। এতে চরম ভোগান্তির শিকার দু’পাড়ের কয়েক হাজার মানুষ। এছাড়াও নদীর ওপারে প্রায় দু’ হাজার একর জমির চাষাবাদে কৃষকের কষ্টের সাথে বেড়েছে খরচও। ব্রীজের বিভিন্ন অংশ এখনো ভাল। শুধু সংযোগ সড়ক হলেই দুর্ভোগের অবসান হবে । স্থানীয়দের অভিযোগ,স্থানীয় কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলা ও আশ্বাসের বাণীতে এখন ঝুলছে ব্রীজের সংযোগ সড়কের ভাগ্য।

Shamol Bangla Ads

স্থানীয় কৃষক আশরাফ আলী বলেন, দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াত ও বৃহত্তর বয়শা বিল থেকে আবাদ ঘরে তোলার জন্য নির্মাণ করা হয় ব্রীজটি। ব্রীজের পূর্ব এলাকার মানুষের সহাস্রাধিক একর জমি বিলের ওপারে। গ্রামবাসীদের অর্থায়নে বাঁশের চাং তৈরি করে চলাচল করছে।  শুষ্ক মৌমুসেও নদীতে পানি থাকে।  তাই চলাচলে খুব কষ্ট হচ্ছে। সাইফুল ইসলাম বলেন, দুই পাশের প্রায় ৪ হাজার মানুষের যাতায়াতের একমাত্র পথ এটি। আমাদের শতাধিক শিক্ষার্থীর বিকল্প পথ না থাকায় অন্যত্র গিয়ে পড়াশুনা করে।
স্কুল শিক্ষার্থী ইমরান বলেন, আমি স্কুলে যাওয়া আসার সময় আমার বাবা সাইকেল ঘাড়ে নিয়ে ব্রিজ পার করে দেন। আমার আসা যাওয়ায় অনেক কষ্ট হয়। দ্রুতু ব্রীজের দু’ পাশে মাটি ভরাটের দাবি জানায় তার মতো দু’ পাড়ের বাসিন্দারা।
কাজিরচর ইউপি চেয়ারম্যান মো. দুলাল মিয়া বলেন, আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে এ ব্যাপারে বলেছি। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।  কিন্তু কাজ তো এখনো শুরু হচ্ছে না।
শ্রীবরদী উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) ইঞ্জিনিয়ার মো, মশিউর রহমান বলেন, ব্রীজটির দু’পাশে নদী শাসনের প্রয়োজন। নদীর গতিপথ বদলে যাওয়ায় এমন হয়েছে। আমি সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো।

Need Ads