‘প্রতিটি শিশুর জন্য আমাদের স্বপ্ন, জীবন তার ভরে ওঠুক পরিপূর্ণতায়, প্রতিটি হৃদয়ের জন্য আমাদের প্রার্থনা, অর্জিত হয় যেন ইচ্ছার দৃঢ়তায়’- এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে শেরপুরের শ্রীবরদীতে শিশু ও কমিউনিটির উন্নয়নের ১৭ বছরের পথচলার ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতার মধ্যে বিদায় অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ উপলক্ষে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের শ্রীবরদী এরিয়া প্রোগ্রাম, নান্দাইল কো-অপারেশন অফিসের আয়োজনে ও শ্রীবরদী উপজেলা পরিষদের সহযোগিতায় ৪ সেপ্টেম্বর সোমবার সকালে উপজেলা পরিষদ মাঠে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন ও বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল খায়রুম। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার ইউনুসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন উপজেলা চেয়ারম্যান এডিএম শহিদুল ইসলাম, ওয়ার্ল্ড ভিশনের ন্যাশনাল ডিরেক্টর সুরেশ বার্টলেট, পৌরসভার মেয়র মোহাম্মদ আলী লাল, ওয়ার্ল্ড ভিশনের সিনিয়র অপারেশন ডিরেক্টর চন্দন জেড গমেজ ও শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম খান সিদ্দিকী। সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের ডিপুটি ডিরেক্টর মঞ্জু মারিয়া পালম।
বিগত ২০০৫-২০২৩ ওয়ার্ল্ড ভিশনের কার্যক্রমের সমাপনী রিপোর্ট ও সফলতার প্রমান্য চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য দেন শ্রীবরদী ওয়ার্ল্ড ভিশনের এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার যোনাস ক্লেরি কস্তা। ওয়ার্ল্ড ভিশনের টেকনিক্যাল অফিসার কফিল উদ্দিন মাহমুদ ও অর্পণা ঘাগড়ার সঞ্চালনায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের উন্নয়নের নানা চিত্র তুলে ধরে বক্তব্য দেন, তাতিহাটি ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আলহাজ্ব মো, আব্দুর রউফ মিয়া, উপজেলা ট্রাইবাল ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান প্রাঞ্জল এম সাংমা প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে অতিথিবৃন্দকে ফুল দিয়ে ও নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে স্বাগত জানান স্থানীয় আদিবাসী কিশোরীরা।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনিয়র এরিয়া ম্যানেজার প্রশান্ত নাফাক, এরিয়া ম্যানেজার সাগর ডি কস্তা, দিনাজপুর এরিয়া প্রোগ্রাম ম্যানেজার অরবিন্দ্ব গমেজ, মনিটরিং অফিসার মানিক রঞ্জন ভূমিক, ফিল্ড টেকনিক্যাল প্রোগ্রাম স্পেশালিষ্ট হেলথ ডা, সৈয়দ আবু ইবনে আজিজ, প্রোগ্রাম অফিসার হারুনুর রশিদ, প্রোগ্রাম অফিসার হাফিজুর হক সোহাগ, প্রোগ্রাম অফিসার উজ্জ্বল সাংমা ও প্রোগ্রাম অফিসার ফ্লোরা মাংসাং প্রমুখ।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ওয়ার্ল্ড ভিশনের বিভিন্ন এলাকার প্রোগ্রাম অফিসার, বিভিন্ন কার্যক্রমের সুবিধাভোগী, কিশোর কিশোরী, সিবিও, জনপ্রতিনিধি, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মীরা। পরে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্থানীয় শিল্পীরা দেশাত্মবোধক গান ও নৃত্য পরিবেশন করেন।




