শেরপুরের শ্রীবরদীতে ছোট ভাইয়ের এইচএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার প্রক্সি দিতে গিয়ে ধরা পড়েছেন বড় ভাই হৃদয় হাসান রাজু ওরফে রাজু মিয়া (২২)। ওইসময় ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইফতেখার ইউনুস। একই সঙ্গে তাকে ৫০০ টাকা অর্থদণ্ডও করা হয়। ৩১ আগস্ট বৃহস্পতিবার বিকালে শ্রীবরদী উপজেলার হালিমা আহসান টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ওই ঘটনা ঘটে। সাজাপ্রাপ্ত রাজু মিয়া উপজেলার ধাতুয়া আড়ালেকান্দা গ্রামের মৃত হেলাল মিয়ার ছেলে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাইয়ুম খান সিদ্দিকী জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে শ্রীবরদী উপজেলার হালিমা আহসান টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে ব্যবসা সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ের পরীক্ষা চলছিল। ওইসময় শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম সাজুর পরিবর্তে পরীক্ষায় বসেন বড় ভাই হৃদয় হাসন রাজু ওরফে রাজু মিয়া। এমন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইফতেখার ইউনুস। ঘটনার সত্যতা পাওয়ায় প্রক্সি দেওয়ার অপরাধে রাজু মিয়াকে ১ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
ওইসময় উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার ওই কেন্দ্রের ট্যাগ অফিসার মোশারফ হোসেন, কেন্দ্র সচিব বিথী আক্তার, হল সুপার সাহাব উদ্দিন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

কাইয়ুম খান সিদ্দিকী আরও বলেন, একইদিন ওই শিক্ষার্থীকে কেন্দ্র থেকে বুঝে নিয়ে জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
শ্রীবরদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইফতেখার ইউনুস বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। পরে প্রবেশপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড যাচাই-বাছাই এবং জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে সে প্রক্সি দেওয়ার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় তাকে সাজা দিয়ে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।




