ads

রবিবার , ২০ আগস্ট ২০২৩ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

নকলায় খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ২৭২ বস্তা চাল উদ্ধার, থানায় মামলা

জাহাঙ্গীর হোসেন, নকলা - ফটো কার্ড
আগস্ট ২০, ২০২৩ ২:০৯ অপরাহ্ণ

শেরপুরের নকলায় একটি দোকান থেকে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ২৭২ বস্তায় ৮ হাজার ১৬০ কেজি সরকারি চাল উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। ১৯ আগস্ট শনিবার রাতে উপজেলার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের রেহারচর মোড়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী মজনু মিয়া, বাদশা মিয়া ও চঞ্চল মিয়ার ভাড়া করা একটি ঘর থেকে ওই চাল উদ্ধার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নকলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া উম্মুল বানিন।

Shamol Bangla Ads

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল অবৈধভাবে মজুদ করা হয়েছে, এমন তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী মজনু মিয়া, বাদশা মিয়া ও চঞ্চল মিয়ার ভাড়া করা একটি ঘর থেকে ৩০ কেজির ২৭২ বস্তা চাল পাওয়া যায়। পরে রাত সাড়ে ৮ টার দিকে এসব চাল জব্দ করে উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা খাদ্যগুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খন্দকার ইলিয়াস হোসেন জানান, চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার শাহ মো. লুৎফর রহমান ও আমিনুল হক মিন্টু। তারা চন্দ্রকোনা মধ্যবাজারে ২টি আলাদা গোডাউনে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল মজুদ রাখেন। ১৮ আগস্ট শুক্রবার চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার শাহ মো. লুৎফর রহমান ৭৫৩টি কার্ডের বিপরীতে প্রতি মাসে ৩০ কেজি হিসেবে ২ মাসের চাল উত্তোলন করেছেন ৪৫ হাজার ১৮০ কেজি। আমিনুল ইসলাম মিন্টু উত্তোলন করেছেন ৭৫২টি কার্ডের বিপরীতে ৪৫ হাজার ১২০ কেজি। জব্দকৃত চালের বিষয়টি নিয়ে নকলা থানায় ৪ জনকে আসামি করে একটি নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত চাল খাদ্যগুদামে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।

Shamol Bangla Ads

চন্দ্রকোনা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান গেন্দু জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির কার্ডগুলো হয়েছে ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান সাজু সাইদ সিদ্দিকীর সময়ে। তাই কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা নিয়ে তিনি কোন কথা বলতে চান না। তবে যাদের কাছে চাল পাওয়া গেছে তারা মূলত ব্যবসায়ী। তারা সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে কার্ড কিনে ডিলারের কাছ থেকে চাল উঠিয়ে বিক্রির জন্য দোকানে মজুদ রেখেছেন।

নকলা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) ইসকান্দার হাবিবুর রহমান জানান, রাতেই এবিষয়ে ৪ জনকে আসামী করে একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশী অভিযান চলছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া উম্মুল বানিন জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে চন্দ্রকোনা ইউনিয়ের রেহারচর মোড়ে একটি দোকান থেকে অবৈধভাবে মজুদ করা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৩০ কেজির ২৭২ বস্তা চাল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে এসব চালের জব্দ তালিকা করে প্রচলিত আইনে নকলা থানায় নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। ঘটনার সাথে কে বা কারা জড়িত এ বিষয়ে অধিকতর তদন্তের প্রয়োজন। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানা যাবে।

এ ব্যাপারে চন্দ্রকোনা ইউনিয়নের থাদ্য বান্ধব কর্মসূচির ডিলার লুৎফর রহমান ও আমিনুল হক মুঠোফোনে জানান, আমরা স্বচ্ছতার সাথে সুবিধাভোগীদের মাঝে চাল বিতরণ করে থাকি। তবে রেহারচর এলাকা থেকে নকলা উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক উদ্ধারকৃত খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল কোথা থেকে এসেছে তা আমাদের জানা নেই।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads