ads

মঙ্গলবার , ৩১ জানুয়ারি ২০২৩ | ১৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শেরপুরে বরই চাষে ২ বন্ধুর সাফল্য

এমদাদুল হক বিদ্যুৎ ও উদয় কুমার; ২ বন্ধু। অনেকটা শখের বশে বড়ই চাষ করলেও সেই শখই এখন পেশায় পরিণত করেছেন তারা। সংসারের অভাব দূর করে এখন তারা এলাকার রোল মডেলে পরিণত হয়েছেন। মাত্র ২ বিঘা জমি নিয়ে বাগান শুরু করে পরিশ্রমের ফলে এখন তা ১০ বিঘার অধিক বিস্তৃত হয়েছে। বর্তমানে ওই ২ বন্ধু লাখপতি। তাদের অভাবের সংসারে এসেছে স্বচ্ছলতা।
জানা যায়, ইউটিউব দেখে মিশ্র ফল বাগান শুরু করেন ওই ২ বন্ধু। বছর ঘুরতেই ধরা দেয় এর সাফল্য। ১’শত প্রজাতির ফলের গাছ এখন ২ বন্ধুর মুখে হাঁসি ফুটিয়ে তুলছেন। তাদের বাগানটি দেখতে শেরপুর ছাড়াও আশপাশের জেলা থেকেও আসতে শুরু করেছেন লোকজন। এবার বরই চাষে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন তারা। তাদের বাগানের ৫ শতাধিক গাছে বরই ফলে ছেয়ে গেছে। প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার বরই বিক্রি করছেন তারা। এ পর্যন্ত ২ লাখ টাকার বরই বিক্রি করা হয়েছে এবং প্রায় ১০ লাখ টাকার বরই বিক্রি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। গত বছরের তুলনায় এবার দিগুণ লাভের আশা করছেন বাগান মালিক এমদাদুল হক বিদ্যুৎ ও উদয় কুমার।
এ বছর তারা আপেল কুল, টকমিষ্টি, বলসুন্দরী, ভারতীয়, বাউ ও থাই কুলের চাষ করেছেন। বাগান থেকেই পাইকারি দরে মণ হিসেবে ব্যাপারিদের কাছে বিক্রি করেন, যা জেলা শহরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নেয়া হচ্ছে। তার দেখাদেখি এ অঞ্চলের অনেকে এখন বরই চাষ শুরু করেছেন। তাদের বাগানে রয়েছে বল সুন্দরী জাতের বরই, যা সবার নজর কেড়েছে। অতীত ও বর্তমান জীবনের হিসাব-নিকাশ মিলিয়ে এলাকার মানুষের কাছে তিনি জীবনযুদ্ধে জয়ী সফল যোদ্ধা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন তারা।
সরেজমিনে তাদের বরই বাগানে গেলে দেখা যায়, মাটির সামান্য ওপর থেকেই সব কুল গাছের ডালপালা চারদিক ছড়িয়ে পড়েছে। প্রতিটি ডালে প্রচুর পরিমাণে কুল ধরে মাটিতে নুয়ে পড়ছে। অবস্থাটা এমন যে, গাছের পাতার চেয়ে গাছে কুল বেশি দেখা যাচ্ছে। কুলগুলো দেখতে ঠিক অস্ট্রেলিয়ান আপেলের মতো। কিন্তু আকারে একটু ছোট। পাখি ঠেকাতে সারা ক্ষেতের ওপর দিয়ে নেট জাল দিয়ে ঢেকে দিয়েছেন। এতে কোনো পাখিই আর ক্ষেতের কুল নষ্ট করতে পারছে না।
এ বিষয়ে বাগান মালিক এমদাদুল হক বিদ্যুৎ ও উদয় কুমার জানান, আমাদের এ বাগানটির বয়স বেশি দিন না হলেও এর সাফল্য পাওয়া আমরা শুরু করেছি। শেরপুরে ব্যাপক সুনাম অর্জন করছে বাগানটি। বাগানটি দেখতে আশপাশের জেলা থেকে প্রতিদিনই লোকজন আসেন। আমাদের বাগানটির নাম দেওয়া হয়েছে ইউএনবি এগ্রো। এর আগে মাল্টা, পেয়ারা আর ড্রাগন চাষে ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে জেলা জুড়ে। বাজারে এ বাগানের বরইয়ের ব্যাপক চাহিদা থাকায় লাভের স্বপ্নটা একটু বেশিই করা হচ্ছে। জেলা কৃষি বিভাগ থেকে সার্বিক খোঁজ-খবর নেয় হচ্ছে বলেও জানান তারা।

Need Ads