ads

বৃহস্পতিবার , ১২ জানুয়ারি ২০২৩ | ২৮ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

শ্রীবরদীতে ঘোড়দৌড় প্রতিযোগিতায় দর্শকের ঢল

রেজাউল করিম বকুল - ফটো কার্ড
জানুয়ারি ১২, ২০২৩ ৬:০৭ অপরাহ্ণ

গ্রামীণ ঐতিহ্য ধরে রাখতে ও নতুন প্রজন্মের কাছে ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা পরিচিত করার লক্ষ্যে শেরপুরের শ্রীবরদীতে অনুষ্ঠিত ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতা দেখতে ঢল নামে হাজারও দর্শকের। ১২ জানুয়ারি বৃহস্পতিবার বিকেলে পৌর শহরের জালকাটা ষাইটকাকড়া এলাকাবাসীর আয়োজনে ধান ক্ষেতের মাঠে ওই ঘোড় দৌড় প্রতিযোতিা অনুষ্ঠিত হয়।

Shamol Bangla Ads

ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন সাংবাদিক মাসুদ হাসান বাদল। তিনি বলেন, ‘গ্রামীণ ঐহিত্য টিকিয়ে রাখতে ও নতুন প্রজন্মের কাছে ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা পরিচিত করতে আয়োজন করা হয় ঘোড় দৌড়। এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে আগামিতেও ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা হবে।

ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতার পরিচালক পৌরসভার কাউন্সিলর রাকিবুল ইসলাম রাসেল বলেন, সব খেলাই জনপ্রিয়। তবে গ্রামীণ ঐতিহ্য টিকিয়ে রাখতে এমন আয়োজন করা হয়েছে। সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হওয়ায় তিনি সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান’। পাঁচটি রাউন্ডে খেলায় তিনজন করে বিজয়ী হয়। তবে দাপটে ঘোড়ার দৌড় প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করে দেওয়ানগঞ্জ থেকে আসা ঘোড়ার সোয়ার কিশোর রাজু আহমেদ ও দ্বিতীয় নজরুল ইসলাম। পরে সকল বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার হিসেবে ফ্রীজ, টেলিভিশন, মোবাইল ফোন ও ক্রেষ্ট তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

Shamol Bangla Ads

গোলাম মোস্তাফার সভাপতিত্বে ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতায় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান মো. ফরিদুজ্জামান, ইউপি চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মো, আব্দুর রউফ মিয়া, ইউপি চেয়ারম্যান হামিদুল্লাহ তালুকদার ও উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহবায়ক জাহিদুল ইসলাম জুয়েল প্রমুখ।

ঘোড় দৌড় প্রতিযোগিতায় অংশ নেয় শেরপুর ও জামালপুর জেলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শতাধিক ঘোড়া। দর্শকদের ভিড়ে মেলাটি পরিণত হয় মহামিলন মেলায়। এ প্রতিযোগিতা দেখে হারিয়ে যাওয়া ঐহিত্যকে প্রতিবছরই আয়োজনের আহবান জানান দর্শকরা।

Need Ads