ads

সোমবার , ১ আগস্ট ২০২২ | ২৯ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

ঝিনাইগাতীর অসহায় শিশু রোকসানার বাঁচার আকুতি

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
আগস্ট ১, ২০২২ ২:৫৯ অপরাহ্ণ

৪ বছর বয়সে আগুনে শরীরের বেশির ভাগ অংশ পুড়ে যায় রোকসানার। রোকসানার অবস্থার অবনতি হতে থাকলে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রায় একমাস চিকিৎসা করার পর তার অবস্থার উন্নতি হয়। সে যাত্রায় তার শরীরের ঘা ভালো হয়। কিন্তু কয়েকটি রগ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দিন যত বেশি যাচ্ছে তার শরীরে নানা সমস্যা ততই দেখা দিচ্ছে। কিন্তু টাকার অভাবে শেরপুরের ঝিনাইগাতীর শিশু রোকশানার চিকিৎসা করাতে পারেনি বাবা-মা। ফলে দিন দিন তার শরীরে নানা উপসর্গ দেখা দিচ্ছে। এ কারণে দরিদ্র পরিবারটি সাহায্যের আবেদন করেছেন।
জানা যায়, শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের রাংটিয়া এলাকার দরিদ্র আব্দুর রহমান ও রুকেয়া বেগমের ৩ ছেলে ও এক মেয়ের মধ্যে সবার ছোট রোকসানা (১১)। পাহাড়ে লাকড়ি কুড়িয়ে তা বিক্রি করে এবং অন্যের জমিতে শ্রমিকের কাজ করে কোনো রকমে খেয়ে না খেয়ে দিনাতিপাত করছেন রোকসানার বাবা-মা।
স্থানীয় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া হলে তারা জানায়, রোকসানার রগের অপারেশন করতে হবে। টাকাও লাগবে অনেক বেশি। কিন্তু তার অস্ত্রোপচার করার টাকা জোগাড় করা পরিবারের পক্ষে সম্ভব নয়। রোকসানার মা মোছা. রোকিয়া খাতুন বলেন, আমরা গরিব মানুষ। কামকাজ কইরা পেটের ভাতই জোগাড় করাবার পাই না। বেডির (কন্যা) চিকিৎসা করামু কেমনে? আমাগোরে কিছু সাহায্য করলে মেয়েডারে অপারেশন করবার পাইতাম।
সহযোগিতা কামনা করে দরিদ্র পারিবারের শিশু রোকসানা বলে, ছোট বেলা আমি যখন ৩য় শ্রেণিতে পড়ি তখন আমার শরীর অনেকটা পুড়ে যায়। এখন খুব ব্যথা করে।
প্রতিবেশী সফিকুল ইসলাম বলেন, এক সময় এলাকার লোকজন টেহা তুইলে রোকসানারে চিকিৎসা কইরা আনাইছে। এহন আবার টেহা নাগব। এলাকার মানুষ তো বারে বারে টেহা দেয় না। সরকার যদি কিছু টেহা দিত, তাইলে মেয়েডারে চিকিৎসা করান যাইত।
এ বিষয়ে ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারুক আল মাসুদ বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেখার পর মেয়েটার খোঁজ নিয়ে জেনেছি তার শরীরের বেশ কিছু অংশ পুড়ে গিয়েছে। এখন টাকার প্রয়োজন। আমরা বিষয়টি দেখবো। তাকে সরকারিভাবে তাকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করবো।

Need Ads