শেরপুরের শ্রীবরদীতে এক বুদ্ধি প্রতিবন্ধী শিশুকে (১১) ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে প্রতিবেশী এমাজ উদ্দিন (৫৫) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এছাড়া ধর্ষণের ঘটনা গোপন রাখতে ধর্ষিতা শিশুর পরিবারকে হুমকিও দেওয়া হয়েছে। ওই ঘটনায় ২৪ এপ্রিল রবিবার রাতে ভুক্তভোগী শিশুর বাবা বাদী হয়ে ধর্ষক এমাজ উদ্দিনসহ ৫ জনের নামে শ্রীবরদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর থেকেই ধর্ষকসহ বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ এপ্রিল শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলার বকচর কন্টিপাড়া এলাকার ওই শিশু জনৈক আলমগীর মিয়ার বাড়িতে সেলাই করতে দেয়া নতুন জামা আনতে যায়। ওইসময় প্রতিবেশী এমাজ উদ্দিনের বাড়ির সামনে আসা মাত্রই ওই শিশুকে কৌশলে ডেকে নিয়ে তার বাড়ির ভেতরে নিয়ে যায় সে। পরে নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ করে এবং এ বিষয়ে কাউকে কিছু না বলার জন্য নানা হুমকি দেখিয়ে তাকে বের করে দেয় এমাজ উদ্দিন। বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নানা পাঁয়তারা করলে ঘটনার দু’দিন পর রবিবার রাতে ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে এমাজ উদ্দিন ও তার ৪ ভাইয়ের নামে মামলা দায়ের করেন। এর পর থেকে তারা সবাই পলাতক রয়েছেন।
ভুক্তভোগীর বাবা জানান, তার মেয়ে ধর্ষণের ব্যাপারে বাসায় জানালে তিনি এ বিষয় নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় কথা বলেন। তখন তাকে ও তার পরিবারকে এমাজ উদ্দিন বিভিন্নভাবে হুমকি দেয়। এ ব্যাপারে দু’বার শালিসের চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে বিচারের আশায় মামলা করেন তিনি।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, ওই ঘটনায় থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ ইতোমধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। সোমবার সাকলে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ওই ঘটনায় আসামিদের ধরতে পুলিশের কয়েকটি টিম অভিযান অব্যাহত রেখেছে।




