শেরপুর সদর উপজেলার প্রত্যন্ত এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে অভিযান চালিয়েছে জেলা প্রশাসন। ৩ মার্চ বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের চুনিয়ারচর এলাকার প্রত্যন্ত পল্লীতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান চালান জেলা প্রশাসনের রেভিনিউ ডেপুটি কালেক্টর (আরডিসি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুয়েল সাংমা। তবে অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা পালিয়ে যায়। পরে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ২৪টি পাইপ জব্দ করে নিয়ে আসা হয়।

জানা গেছে, শেরপুর সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের প্রত্যন্ত পল্লী চুনিয়ারচর এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে দীর্ঘদিন থেকে একটি চক্র অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। অবৈধভাবে বালু তোলার কারণে নদের পাড় ভেঙে নষ্ট হচ্ছে মানুষের বাড়িঘর ও আবাদি খেত। পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে নদীর গতিপথও। ওই জায়গায় যোগাযোগ ব্যবস্থা অত্যন্ত খারাপ হওয়ায় জেলা প্রশাসন থেকে অবৈধ বালু হরিলুটকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চাইলেও সেটা কঠিন হয়ে পড়ে।
তবে বৃহস্পতিবার বিকেলে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুয়েল সাংমার নেতৃত্বে বিশাল একটি টিম নিয়ে ওই এলাকায় অভিযান পরিচালিত হয়। তবে আগেই অভিযানের খবর পেয়ে বালু উত্তোলনকারীরা সটকে পড়ে। পরে বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ২৪টি পাইপ জব্দ করা হয়। ড্রেজার মেশিনটি নদীর অনেক গভীরে থাকায় সেটি জব্দ করা সম্ভব হয়নি।

এ ব্যাপারে শেরপুরের জেলা প্রশাসক মো. মোমিনুর রশীদ বলেন, বালু উত্তোলনকারীরা যত শক্তিশালীই হোক, কেউই আইনের উর্ধ্বে নয়। মানুষ ও ফসলি জমিকে বাঁচাতে বালু তোলা বন্ধ করতেই হবে। নতুন প্রযুক্তি ব্যবহার করে অচিরেই সমস্ত এলাকাজুড়ে প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবে।




