শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাকিবুল হাসান ওরফে হেলাল (২৮) নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে। ৩ ফেব্রুয়ারি বৃহস্পতিবার রাতে ধর্ষিতা কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে ৩ জনের নাম উল্লেখ করে শ্রীবরদী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়েরের পর রাতেই অভিযান চালিয়ে হেলালকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত হেলাল মথুরাদী শেকদী মোড় এলাকার মশল উদ্দিন ছেলে। শুক্রবার দুপুরে গণমাধ্যকর্মীদের তথ্যগুলো নিশ্চিত করেছে শ্রীবরদী থানা পুলিশ।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত ২৯ জানুয়ারি শনিবার ৮টার দিকে অভিযুক্ত হেলাল ও ছাবেদ আলী ওই কিশোরীকে কৌশলে ডেকে মথুরাদী শেকদী মোড় ভেরুর বাড়ির পিছনের কলাবাগানে নিয়ে যায়। ওইসময় তারা ওই কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে এবং বিষয়টি কাউকে না জানানোর হুমকি দেয়। জানালে তার বাবাকে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এদিকে ঘটনার একদিন পর কিশোরী তার মাকে বিস্তারিত জানায়।
ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বলেন, আমি ঢাকায় অটোরিক্সা চালাই। ঘটনার পর দিন আমি গ্রামের বাড়িতে আসি। পরে জানতে পারি আমার মেয়েকে হেলাল ও ছাবেদ আলী জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে। তাই সুষ্ঠু বিচারের জন্য আমি শ্রীবরদী থানায় এসে মামলা দায়ের করি।

এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ আবুল হাসিম শুক্রবার দুপুরে বলেন, ভুক্তভোগী কিশোরীর বাবা বাদী থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত একজনকে আটক করেছে। অপর আসামিদের ধরতে অভিযান অব্যাহত আছে। ভিকটিমকে মেডিকেল পরীক্ষার জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।




