বর্তমান চেয়ারম্যান ৭ জন, সাবেক ২ জন ও নতুন মুখ ৫ জন
শেরপুর সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করেছে আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার জনপ্রতিনিধি মনোনয়ন বোর্ড। ১১ অক্টোবর রাতে মনোনয়ন বোর্ডের সভা শেষে দলের দফতর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ওই প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়।

ঘোষিত আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীরা হচ্ছেন কামারেরচর ইউনিয়নে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. হাবিবুর রহমান হাবিব, চরশেরপুরে মো. রফিকুল ইসলাম মিল্টন, বাজিতখিলায় মোহাম্মদ আলী, গাজীরখামারে বর্তমান চেয়ারম্যান আওলাদুল ইসলাম, ধলাতে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. রহিজ উদ্দিন, পাকুড়িয়ায় বর্তমান চেয়ারম্যান আলহাজ্ব হায়দার আলী, ভাতশালাতে বর্তমান চেয়ারম্যান নাজমুন নাহার, লছমনপুরে আব্দুল হাই, চরমোচারিয়ায় মিজানুর রহমান বাবুল তালুকদার, চরপক্ষীমারীতে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আকবর আলী, বলাইয়েরচরে মো. মনিরুল আলম, কামারিয়াতে সাবেক চেয়ারম্যান সারোয়ার জাহান, রৌহাতে সাবেক চেয়ারম্যান সাইফুজ্জামান সোহেল ও বেতমারী-ঘুঘুরাকান্দিতে বর্তমান চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মজিদ।
মনোনয়ন পাওয়া ১৪ জনের মধ্যে ৭ জন বর্তমান চেয়ারম্যান। অন্য ৭ জনের মধ্যে ২ জন রয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান। আর বাকি ৫ জনই নতুন মুখ এবং তারা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক। অন্যদিকে গত নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নিয়ে জিতলেও মনোনয়ন পাননি চরশেরপুর, রৌহা ও লছমনপুর ইউনিয়নের বর্তমান চেয়ারম্যানগণ।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট চন্দন কুমার পাল পিপি ও সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মনোনয়নের বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মনোনীত প্রার্থীদের পক্ষে মনোনয়ন না পাওয়া নেতারাসহ সবাই মিলে আমরা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করব- এটাই এখন লক্ষ্য। আমরা আশা রাখছি, সব ইউনিয়নেই সবাই মিলে কাজ করে নৌকার বিজয় নিশ্চিত করা যাবে।
এদিকে দলীয় সূত্র জানায়, কামারিয়া ইউনিয়নে তৃতীয় দফায় মনোনয়ন পাওয়া হাবিবুর রহমান হাবিব জেলা যুবলীগের সভাপতি এবং এই ইউনিয়নেই দলের সর্বাধিক ৯ জন মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। চরশেরপুর ইউনিয়নে মনোনয়ন পাওয়া রফিকুল ইসলাম মিল্টন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও শেরপুর (বাগরাকসা) উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। প্রার্থী হিসেবে তিনি নতুন মুখ। বাজিতখিলা ইউনিয়নের মনোনয়ন পাওয়া মোহাম্মদ আলী স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি এবং তিনিও প্রার্থী হিসেবে নতুন। গাজীরখামার ইউনিয়নে দ্বিতীয় দফায় মনোনয়ন পাওয়া আওলাদুল ইসলাম স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।
ধলা ইউনিয়নে দ্বিতীয় দফায় মনোনয়ন পাওয়া রহিজ উদ্দিন স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। একইভাবে পাকুড়িয়া ইউনিয়নে দ্বিতীয় দফায় মনোনয়ন পাওয়া হায়দার আলীও স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। ভাতশালা ইউনিয়নে দ্বিতীয় দফায় মনোনয়ন পাওয়া নাজমুন নাহার মহিলা আওয়ামী লীগ ন্ত্রেী। লছমনপুর ইউনিয়নে প্রথম দফায় মনোনয়ন পাওয়া আব্দুল হাই উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। চরমোচারিয়া ইউনিয়নেপ্রথম দফায় মনোনয়ন পাওয়া মিজানুর রহমান বাবুল তালুকদার স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। চরপক্ষীমারী ইউনিয়নে দ্বিতীয় দফায় মনোনয়ন পাও্য়া আকবর আলীও স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি।
বলাইয়েরচর ইউনিয়নে প্রথম দফায় মনোনয়ন পাওয়া মনিরুল আলম স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। কামারিয়া ইউনিয়নে প্রথম দফায় মনোনয়ন পাওয়া সরোয়ার হোসেন সাবেক চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ নেতা। রৌহা ইউনিয়নে দ্বিতীয় দফায় মনোনয়ন পাওয়া সাইফুজ্জামান সোহেল সাবেক চেয়ারম্যান ও স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। বেতমারী-ঘুঘুরাকান্দি ইউনিয়নে মনোনয়ন পাওয়া আব্দুল মজিদ মজু স্থানীয় স্থানীয় ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক।




