তথ্যের অধিকার, সুশাসনের অঙ্গীকার; তথ্যই শক্তি, তথ্যই মুক্তি, এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস পালন উপলক্ষে শেরপুরে গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। শেরপুর জেলা সুজন সুশাসনের জন্যে নাগরিকের উদ্যোগে ৩০ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলা ডায়াবেটিক হাসপাতালে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯ প্রয়োগের বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও করণীয় শীর্ষক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
জেলা সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিকের সভাপতি রাজিয়া সামাদ ডালিয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত গোলটেবিল বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন শেরপুর সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রফিকুল ইষলাম। তিনি বলেন, তথ্য চাওয়া পাওয়া ও প্রকাশের বিষয়টি প্রত্যেক ব্যক্তির নাগরিক অধিকার। তথ্য না জানানো হলে তা হবে মানবাধিকার লংঘন। তথ্য গোপন রাখা সামাজিক অপরাধ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফিরোজ আল মামুন। তিনি বলেন, দুর্নীতি আমাদের উন্নয়নের সবচেয়ে বড় শত্রু। দুর্নীতির বিরুদ্ধে সরকার যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। যুদ্ধের সবচেয়ে মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে তথ্য। তিনি আরো বলেন, সরকারি কোন অফিসে কি কাজ হয় তা জানার জন্য অধিকার সবার আছে। নাগরিকগণের এই অধিকার ভোগ করার আইনগত স্বীকৃতি হচ্ছে তথ্য অধিকার আইন ২০০৯।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও বক্তব্য দেন জেলা জাতীয় মহিলা সংস্থার চেয়ারম্যান নাসরিন বেগম ফাতেমা ও উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান সাবিহা জামান শাপলা। সভার শুরুতে আন্তর্জাতিক তথ্য অধিকার দিবস নিয়ে বক্তব্য দেন জেলা সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিকের সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী। সভায় বিষয় ভিত্তিক বক্তব্য তুলে ধরেন দি হ্যাঙ্গার প্রজেক্টের কো- অর্ডিনেটর খাইরুল বাশার রাসে। তিনি বলেন, আজকের গোলটেবিল আয়োজনে জেলা সুজন সুশাসনের জন্য নাগরিক। তবে সহায়তা আছেন দি হ্যাঙ্গার প্রজেক্ট ও এশিয়া ফাউন্ডেশন। প্রায় সারা বাংলাদেশেই এ কার্যক্রম চলছে। তথ্যের অধিকার বাস্তবায়নের জন্যে এ কার্যক্রম।
সোহাগী আক্তারের সঞ্চালনায় সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা জনউদ্যোগ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, বিশিষ্ট আইনজীবী প্রদীপ কুমার দে, শিশু সংগঠক মলয় চাকী, রক্ত সৈনিক তানভির মাহতাব, শিক্ষক ও উজ্জীবক শাহিন রহমান, শিক্ষক আয়শা সিদ্দিকা, প্রমূখ। সভায বক্তারা বিভিন্ন তপ্তর থেকে যাতে আরো সহজেই তথ্য পাওয়া য়ায় এ কামনা করেন।




