ads

রবিবার , ২৯ আগস্ট ২০২১ | ২৭ অক্টোবর ২০২৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

৫ দিন যাবত শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালের লিফট নষ্ট, প্রসূতির বাচ্চা হলো সিঁড়িতেই!

স্টাফ রিপোর্টার - ফটো কার্ড
আগস্ট ২৯, ২০২১ ৩:০২ অপরাহ্ণ

শেরপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের দুটি লিফটই গত ৫ দিন ধরে নষ্ট অবস্থায় পড়ে রয়েছে। হাসপাতালের লিফট বিকল থাকায় সেবা নিতে আসা রোগীসহ তাদের স্বজনরা বিপাকে পড়েছেন। এদিকে গত শনিবার বিকেলে হাসপাতালের পঞ্চম তলায় অবস্থিত গাইনি ওয়ার্ডে সিঁড়ি বেয়ে যাবার সময় এক গর্ভবতী নারী প্রথম তলার সিঁড়িতেই তার সন্তাব প্রসব করেছেন। এতে ক্ষোভ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ওই প্রসূতির স্বজনরাও। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রবিবার দুপুরে ঢাকা থেকে প্রকৌশলীরা এসে লিফট ঠিক করার কাজ শুরু করেছেন।
জানা যায়, চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি জেলা হাসপাতালের ৮ তলা বিশিষ্ট নতুন ভবনের কার্যক্রম শুরু হয়। এই ৮ মাসের মধ্যে দুটি লিফটই অন্তত: ৪ বার নষ্ট হয়েছে। সর্বশেষ গত ২৪ আগস্ট থেকে লিফট দুটি বিকল হয়ে আছে। ওই ৮ তলা বিশিষ্ট হাসপাতালজুড়েই রয়েছে করোনা ইউনিট, জরুরি ভর্তি রোগীর শয্যা, চিকিৎসকের কক্ষ, অপারেশন থিয়েটারসহ অতি প্রয়োজনীয় সেবাদানের বিভিন্ন বিভাগ। লিফট বিকল হওয়ায় সবচেয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন করোনা আক্রান্ত, প্রসূতি নারী, শিশু ও বৃদ্ধরা। এতে বেশ বিড়ম্বনায় পড়েছেন রোগী ও তাদের স্বজনরা। চিকিৎসক নার্সদেরও ভোগাচ্ছে এই দুর্ভোগ। এরই মধ্যে গত শনিবার বিকেলে এক প্রসূতি নারী হাসপাতালে ভর্তি হয়ে লিফট না পেয়ে সিঁড়ি বেয়ে ৫ তলা গাইনি ওয়ার্ডে যাওয়ার সময় প্রথম তলার সিঁড়িতেই বাচ্চা প্রসব করেন।
রবিবার সকালে সরেজমিনে হাসপাতালে গিয়ে দেখা যায়, দুটি লিফট এক সাথে বিকল হওয়ায় হাসপাতালে ভর্তি রোগী, রোগীর স্বজন ও চিকিৎসার সঙ্গে জড়িতরা উঠানামা করতে পারছেন না। লিফট বন্ধ থাকায় অতি অসুস্থ মানুষজন সিঁড়ি ব্যবহারে কষ্ট পাচ্ছেন। ভুক্তভোগী সেবাপ্রার্থীরা জানান, এত বড় হাসপাতালে শুধুমাত্র দু’টি লিফট দেওয়া ঠিক হয়নি। আরও বেশি লিফট দরকার ছিল।
এ ব্যাপারে সিভিল সার্জন ও জেলা সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. একেএম আনওয়ারুর রউফ রবিবার দুপুরে বলেন, লিফট চালু করতে ইতোমধ্যে জেলার গণপূর্ত বিভাগকে অবগত করা হয়েছে। বেশ কয়েকদিন ধরেই গণপূর্তকে বলার পরেও তারা কোন অগ্রগতি করছে না। এজন্য বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে। আজ দুপুরে লিফট কোম্পানী থেকে লোকজন এসে ঠিক করা শুরু করেছে। এখন মেরামত করতে যতক্ষণ লাগে, সে সময়টুকুই।
শেরপুর গণপূর্ত বিভাগের এসডি আনোয়ার হোসেন বলেন, বুধবার আমাকে এ বিষয়ে জানানো হয়েছে। লিফটের বিষয়ে কোন অভিজ্ঞ লোক না থাকায় ঠিক করা যাচ্ছে না। যাদের কাছ থেকে (ড্যাফোডিল কোং) লিফট নেয়া হয়েছিলো তাদের কয়েকবার বলা হয়েছে। তারা এসেই ঠিক করবে।
এদিকে ড্যাফোডিল কোম্পানীর অংশীদার মো. কামরুজ্জামান বলেন, হাসপাতালের লিফট আমাদের কাছ থেকে কিনে নিয়েছে নূরানী কনষ্ট্রাকশন। কোন সমস্যা হলে আমাদের জানালে আমরা গিয়ে ঠিক করে দিই। আমাদের লোকবলের অভাবের কারণে প্রকৌশলী পাঠাতে পারিনি। তবে দ্রæতই পাঠানোর চেষ্টা করছি।
এ বিষয়ে শেরপুর গণপূর্তের নির্বাহী প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান বলেন, দুই সপ্তাহের মধ্যে লিফট দুইবার নষ্ট হয়েছে। লিফটে পানি ঢুকলে লিফট নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। লিফট ঠিক করার জন্য সংশ্লিষ্ট কোম্পানীকে বলা হয়েছে। তারা আজকের মধ্যে লোক পাঠিয়ে দ্রুত লিফট ঠিক করে দেবে।

Need Ads

সর্বশেষ - খেলাধুলা

Shamol Bangla Ads