শেরপুরের শ্রীবরদীতে সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে বাড়ি-ঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। ৯ এপ্রিল শুক্রবার দুপুরে উপজেলার মরিচাপাড়া গ্রামে আব্দুল মমিনের বাড়িতে ওই ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় প্রতিপক্ষের ভয়ে আব্দুল মমিনসহ ৩টি পরিবারের লোকজন আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে।
আব্দুল মমিন ও তার পরিবারের অভিযোগ, দীর্ঘদিন যাবত তাদের প্রতিবেশী মোহাম্মদ আলী গংদের সাথে সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। ওই বিরোধের জের ধরে জোরপূর্বক আব্দুল মমিনের পুকুরে পাইপ দিয়ে বাড়ির ময়লা আবর্জনা ফেলা শুরু করে তারা। সম্প্রতি সীমানা ঠেলে ঘর নির্মাণসহ নানাভাবে অত্যাচার করে আসছে। এতেও ক্ষান্ত না হয়ে গত শুক্রবার দুপুরে বাড়িতে পুরুষ লোক না থাকায় মোহাম্মদ আলী গং লাঠিসোঠা নিয়ে তাদের বাড়িতে হামলা করে। ওইসময় বসতঘরের কয়েকটি টিনের বেড়া কুপিয়ে ভেঙে ফেলে। এক পর্যায়ে ঘরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। ওইসময় ঘরের ট্রাংক ভেঙে স্বর্ণালংকার ও নগদ ২ লাখ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায়। ভাঙচুর চলাকালে অল্পের জন্যে রক্ষা পায় ঘুমন্ত দুধের এক শিশু। ওই ঘটনার পর আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন আব্দুল মমিনসহ তার পরিবারের লোকজন। ঘটনাটি নিয়ে শ্রীবরদী থানায় অভিযোগ দাখিল করেছেন ভুক্তভোগি পরিবার।

তবে প্রতিপক্ষ মোহাম্মদ আলীর বাড়ির লোকজন জানায়, তাদের মধ্যে সীমানা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়েছে। ভাঙচুরের ঘটনা তারা অস্বীকার করেন।
এ ব্যাপারে শ্রীবরদী সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল হালিম বলেন, তাদের মধ্যে শালিস হয়েছে। কিন্তু কেউ মানছে না। পরবর্তীতে আবার শালিস হওয়ার কথা। এর মধ্যে তারা আবার ভাঙচুর করেছে।
এ ব্যাপারে শ্রীবরদী থানার এসআই কামরুল ইসলাম বলেন, ওই ঘটনায় তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।




