শেরপুরের নকলায় খোদেজা বেগম (৬০) নামে এক বৃদ্ধাকে হত্যার ৮ দিন পর রহস্য উদঘাটন করেছে থানা পুলিশ। ওই ঘটনায় ১৬ মার্চ মঙ্গলবার ওই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দেবর দুলাল মিয়াকে (৫৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, নকলা উপজেলার ধনাকুশা মধ্যপাড়া এলাকার মৃত. আশকর আলীর স্ত্রী ছিল খোদেজা বেগম। খোদেজা বেগম ও তার দেবর দুলাল মিয়া একই সংসারে থাকত। ৭ মার্চ দুলাল মিয়া সারাদিন কষ্ট করে গরুর জন্য ঘাস কেটে এনে রাতে তার ভাবি খোদেজা বেগমের কাছে ভাত খেতে চায়। কিন্তু ভাবি ভাত না দিয়ে দেবর দুলাল মিয়াকে গালমন্দ করে ভাতে পানি ঢেলে দেয়। পেটে ক্ষুধা এবং ভাবির অপমানের জ্বালা সইতে না পেরে দুলাল মিয়া খোদেজা বেগমের গায়ের কাপড়ের আচঁল তার গলায় পেঁচিয়ে ধরার কারণেই শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মারা যায় খোদেজা। আর খুনের ঘটনা থেকে নিজেকে আড়াল করতেই মৃত ভাবির লাশ বস্তাবন্দি করে বাড়ির পাশে মাটিতে পুঁতে রাখে দুলাল মিয়া। নকলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুশফিকুর রহমান জানান, ১১ মার্চ খোদেজা বেগমের লাশ উদ্ধারের পর থেকেই তার পরিবারের লোকজনের উপর আমরা নজর রাখি। তার দেবর দুলাল মিয়ার গতিবিধি আমাদের কাছে সন্দেহ হয়। তাকে আমরা প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১৬ মার্চ মঙ্গলবার আটক করলে সে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা এবং আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। উল্লেখ্য ৭ মার্চ রাত থেকে নিখোঁজ হয় খোদেজা বেগম। ১১ মার্চ খোদেজা বেগমের বসতভিটার কাছে একটি গর্ত থেকে তার বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।




