ads

শনিবার , ১২ এপ্রিল ২০১৪ | ১লা শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের নিবন্ধনপ্রাপ্ত অনলাইন নিউজ পোর্টাল
  1. ENGLISH
  2. অনিয়ম-দুর্নীতি
  3. আইন-আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আমাদের ব্লগ
  6. ইতিহাস ও ঐতিহ্য
  7. ইসলাম
  8. উন্নয়ন-অগ্রগতি
  9. এক্সক্লুসিভ
  10. কৃষি ও কৃষক
  11. ক্রাইম
  12. খেলাধুলা
  13. খেলার খবর
  14. চাকরির খবর
  15. জাতীয় সংবাদ

দুর্গাপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয় ভবন পরিত্যাক্ত ঘোষনা গাছ তলায় চলছে পাঠদান কার্যক্রম

শ্যামলবাংলা ডেস্ক
এপ্রিল ১২, ২০১৪ ৭:৪৬ অপরাহ্ণ

DDDDদুর্গাপুর(নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  : উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের শ্রীরামখিলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম চলছে স্কুল মাঠের গাছতলায়। রোধ বৃষ্টি উপেক্ষা করে গত প্রায় এক বছর ধরে শিক্ষকরা মাঠে ও পরিত্যাক্ত ভবনের একটি কক্ষে অধিক ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে এই দৃশ্য।
স্কুলের প্রধান মিক্ষক মোঃ বাবর আলীর সাথে আলাপ করে জানাযায় গত বছরের প্রথম দিকে শ্রেণীকার্য চলাকালে জড়াজীর্ন ভবনের ছাদের প্লাস্টার ধষে ২জন শিক্ষার্থীর মাথায় পড়লে তাদেরকে  আহত অবস্থায় স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরদিন থেকেই শিক্ষার্থীরা ভয়ে শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছে,ফলে শিক্ষকরা মাঠে অর্থাৎ গাছ তলায় ক্লাশ নিতে বাধ্য হয়েছেন। বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি গত ২৫/৪/২০১৩ ইং তারিখে স্কুলে উপস্থিত হন এবং পরিদর্শন বহিতে ভবনটিকে ব্যবহার অনুপযোগি হিসাবে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করেণ। কিন্তু এই ঘোষনার পরও অপারগ হয়ে ভবেনের একটি কক্ষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শ্রেণীকার্য চালিয়ে যাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষক জানান বিদ্যালয়টিতে ৩৮০জন ছাত্র,ছাত্রী ও ৭ জন শিক্ষক থাকলেও নেই কোন সৌচাগার,টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান,বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল বা সিকিউরিটি গার্ড না থাকায় টিউবওয়েল এর মাথা অর্থাৎ বডি চুরি হয়ে গেছে ফলে পাশের বাড়ীথেকে পানি আনা এবং লেট্রিন এর কার্য চালাতে হচ্ছে এ সময় কমিটির সদস্য মোবারক হোসেন খান,ফজলু মেম্বার,হামিদ তালুকদার,সোলেমা খাতুন ও লিটন শেখ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান শিক্ষক আরো জানান এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যথেকে প্রতি বছর টেলেন্টপুলে বৃত্তি পাচ্ছে তা ছাড়া অন্যান্য ক্লাশ গুলিতেও ফলাফল শতভাগ।
গত এক বছর ধরে জড়াজির্ন ও ঝুঁকিপূর্ন ভবন ভেঙে নতুন ভবন তৈরী করার লক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশের কপি হাতে নিয়ে সংশ্লিস্ট দপ্তরে ঘুরেও আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেননি প্রধান শিক্ষক। শুরু হয়েগেছে বর্ষাকাল এই বর্ষা বাদলের দিনে কিভাবে চলবে শিক্ষা কার্যক্রম এই প্রশ্ন শিক্ষক এলাকাবাসী ও সূধী মহলের।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে এ বিষয়ে জানাতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। পরিত্যাক্ত বিদ্যালয় ভবনটি ভেঙ্গে অবিলম্বে নতুন ভবন নির্মানের দাবী জানিয়েছেন ছাত্র ছাত্রী শিক্ষক অবিভাবক সহ এলাকার সকলস্তরের ব্যাক্তিবর্গ।

Shamol Bangla Ads

দুর্গাপুর(নেত্রকোনা) প্রতিনিধি :
উপজেলার বাকলজোড়া ইউনিয়নের শ্রীরামখিলা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম চলছে স্কুল মাঠের গাছতলায়। রোধ বৃষ্টি উপেক্ষা করে গত প্রায় এক বছর ধরে শিক্ষকরা মাঠে ও পরিত্যাক্ত ভবনের একটি কক্ষে অধিক ঝুঁকি নিয়ে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করছেন গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখাগেছে এই দৃশ্য।
স্কুলের প্রধান মিক্ষক মোঃ বাবর আলীর সাথে আলাপ করে জানাযায় গত বছরের প্রথম দিকে শ্রেণীকার্য চলাকালে জড়াজীর্ন ভবনের ছাদের প্লাস্টার ধষে ২জন শিক্ষার্থীর মাথায় পড়লে তাদেরকে  আহত অবস্থায় স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয় এবং পরদিন থেকেই শিক্ষার্থীরা ভয়ে শ্রেণীকক্ষে প্রবেশ করতে ভয় পাচ্ছে,ফলে শিক্ষকরা মাঠে অর্থাৎ গাছ তলায় ক্লাশ নিতে বাধ্য হয়েছেন। বিষয়টি উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করলে তিনি গত ২৫/৪/২০১৩ ইং তারিখে স্কুলে উপস্থিত হন এবং পরিদর্শন বহিতে ভবনটিকে ব্যবহার অনুপযোগি হিসাবে পরিত্যাক্ত ঘোষনা করেণ। কিন্তু এই ঘোষনার পরও অপারগ হয়ে ভবেনের একটি কক্ষে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে শ্রেণীকার্য চালিয়ে যাচ্ছেন কর্তৃপক্ষ। প্রধান শিক্ষক জানান বিদ্যালয়টিতে ৩৮০জন ছাত্র,ছাত্রী ও ৭ জন শিক্ষক থাকলেও নেই কোন সৌচাগার,টিউবওয়েল ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা।বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোঃ শফিকুল ইসলাম তালুকদার জানান,বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল বা সিকিউরিটি গার্ড না থাকায় টিউবওয়েল এর মাথা অর্থাৎ বডি চুরি হয়ে গেছে ফলে পাশের বাড়ীথেকে পানি আনা এবং লেট্রিন এর কার্য চালাতে হচ্ছে এ সময় কমিটির সদস্য মোবারক হোসেন খান,ফজলু মেম্বার,হামিদ তালুকদার,সোলেমা খাতুন ও লিটন শেখ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান শিক্ষক আরো জানান এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীদের মধ্যথেকে প্রতি বছর টেলেন্টপুলে বৃত্তি পাচ্ছে তা ছাড়া অন্যান্য ক্লাশ গুলিতেও ফলাফল শতভাগ।
গত এক বছর ধরে জড়াজির্ন ও ঝুঁকিপূর্ন ভবন ভেঙে নতুন ভবন তৈরী করার লক্ষে স্থানীয় সংসদ সদস্যের সুপারিশের কপি হাতে নিয়ে সংশ্লিস্ট দপ্তরে ঘুরেও আজ পর্যন্ত কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেননি প্রধান শিক্ষক। শুরু হয়েগেছে বর্ষাকাল এই বর্ষা বাদলের দিনে কিভাবে চলবে শিক্ষা কার্যক্রম এই প্রশ্ন শিক্ষক এলাকাবাসী ও সূধী মহলের।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের কাছে এ বিষয়ে জানাতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে উর্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পাঠানো হয়েছে। পরিত্যাক্ত বিদ্যালয় ভবনটি ভেঙ্গে অবিলম্বে নতুন ভবন নির্মানের দাবী জানিয়েছেন ছাত্র ছাত্রী শিক্ষক অবিভাবক সহ এলাকার সকলস্তরের ব্যাক্তিবর্গ।

Need Ads

সর্বশেষ - ব্রেকিং নিউজ

Shamol Bangla Ads
error: কপি হবে না!